ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা লক্ষাধিক হলেও নেত্রকোনায় হাসপাতাল নির্মিত না হওয়ায় এ রোগে আক্রান্ত রোগীরা চিকিত্সা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আর এ হাসপাতাল না হবার কারণ হচ্ছে আদালতে জমি সংক্রান্ত মামলা। মামলাটি দ্রুত শেষ হলেই এখানে ডায়াবেটিক হাসপাতালটি নির্মাণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। জানা গেছে, ১৯৮৬ সালে নেত্রকোনায় ডায়াবেটিক সমিতি গঠনের পরপরই সমিতির সভাপতি ডাঃ এম এ হামিদ খানসহ শহরের কয়েকজন ডায়াবেটিক ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করে সেখানে সীমিত চিকিত্সার ব্যসস্থা করেন। এভাবেই গত ২৭ বছর ধরে শহরের ছোটবাজারের ছোট একটি ঘরে রোগীদের চিকিত্সা প্রদান করা হচ্ছে।
প্রতিদিন শত শত ডায়াবেটিক রোগী এই ক্লিনিকে আসলেও স্থানাভাবে তাদের চিকিত্সা সেবা দিতে সমস্যা হচ্ছে বলে কর্তৃপক্ষ জানান। এরজন্য নেত্রকোনা ডায়াবেটিক সমিতি একটি বড় হাসপাতাল স্থাপনের জন্য নেত্রকোনা শহরের ঋষিপাড়ার কাছে এক একর ১৭ শতাংশ খাস জমি সরকারের নিকট চেয়ে দরখাস্ত করলে সরকার সকল বিভাগ থেকে অনাপত্তি পত্র দিলেও ঐ এলাকার এক ব্যক্তি মামলা করায় হাসপাতালের জন্য জমিটি পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে হাসপাতাল নির্মাণ কাজও পিছিয়ে যাচ্ছে। সমিতির সভাপতি ডাঃ এমএ হামিদ খান বলেন, মামলার পক্ষে-বিপক্ষে একটি রায় হলে তারা পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে পারতেন। তিনি অবিলম্বে ডায়াবেটিক হাসপাতাল নির্মাণে সকল মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
