বেলকুচিতে দু’গ্রামবাসীর সংঘর্ষে পুলিশসহ অর্ধশতাধিক আহত

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০১৩, ২১:৪৪
তুচ্ছ ঘটনায় বেলকুচি উপজেলার সেন ভাঙ্গবাড়ি ও আদাচাকীবাসীদের মধ্যে সংঘর্ষে ৩ পুলিশসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ২০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে ২টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগসহ ব্যাপক লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। কয়েকদিন আগে বেলকুচির সেনভাঙ্গাবাড়ি গ্রামের প্রতিভা কোচিং সেন্টারে আদাচাকী গ্রামের পাভেলের সাথে সেন ভাঙ্গাবাড়ি গ্রামের রিসানের কথা কাটাকাটি হয়। বিষয়টি মীমাংসার জন্য সালিশ বৈঠক হলেও কোন পক্ষই বৈঠকের সিদ্ধান্ত মেনে নেয়নি। এরপর থেকে উভয়ের মধ্যে উত্তেজনা চলে আসছিল। এ ঘটনার জের ধরে শুক্রবার রাতে উভয় গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। শনিবার সকালে আদাচাকী গ্রামের বাসিন্দারা সংঘবদ্ধ হয়ে সেন ভাঙ্গাবাড়ি গ্রামে হামলা চালালে পুনরায় সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষ চলাকালে সেন ভাঙ্গাবাড়ি গ্রামের তোজাম আলী ও মফিজুলের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম, মহিদুল ইসলামসহ ৩ পুলিশ, ভাঙ্গাবাড়ি গ্রামের আব্দুস সামাদ ৪৫, বাবুল তালুকদার ৪০, রতন আলী ২৮, জাহিদুল ইসলাম ২৫, শরিফ উদ্দিন ২৪, আইয়ুব নবী ৩৫ এবং আদাচাকী গ্রামের রাসেল উদ্দিন ২৬, রাজু মিয়া ২৭, আশরাফুল ইসলাম ৪০, আব্দুর রহিম ৪৫, হাফিজুল ইসলাম ৪৫, সিরাজুল ইসলাম ৪০, শাহাদত হোসেন ৩৭, হযরত আলী ৩০, সেলিম রেজা ২৫, রিংকন ১৫, মানিক মিয়া ৩০, রুহুল আমিন ২০, রনি ২৫, জসিম উদ্দিন ২৭, আব্দুল বারেক ৪৮, মুকুল হোসেন ৩৫ সহ উভয় গ্রামের অর্ধশতাধিক আহত হয়। এদের মধ্যে আব্দুস সামাদ ও বাবুল তালুকদারের অবস্থা আশংকাজনক বলে চিকিত্সকেরা জানিয়েছে। এ ব্যাপারে বেলকুচি থানার ওসি আব্দুল হাই জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৪ রাউন্ড টিয়ারসেল ও ৭৪ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে র্যাব টহল জোরদারসহ এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।