পানি উন্নয়ন বোর্ডের কপোতাক্ষের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ উপচে ও রবিবার রাতের অবিরাম বৃষ্টিতে কপোতাক্ষ পাড়ের ত্রিমোহিনী বাজার প্লাবিত হয়। ত্রিমোহিনী ও চাঁদড়া সড়কে পানি উঠে এসেছে। এদিকে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ৩/৪ স্থানে ফাটল দেখা দেয়ায় ৩টি ইউনিয়নের ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকার মানুষ। ফলে স্বেচ্ছাশ্রমে বালির বস্তা ফেলে বাঁধ রক্ষার চেষ্টা করছেন এলাকাবাসী।
ত্রিমোহিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম জানান, রবিবার রাতের অবিরাম বৃষ্টি ও কপোতাক্ষের উপচে পড়া পানিতে ত্রিমোহিনী বাজারের অন্তত ২০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়ে। বাঁধের ৩/৪ স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। বাঁধ ধসে গেলে কেশবপুর সদর, মজিদপুর ও ত্রিমোহিনী ইউনিয়নের ব্যাপক এলাকা তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বালির বস্তা ফেলে বাঁধ রক্ষার কাজ শুরু করা হয়েছে।
এদিকে কপোতাক্ষের উপচে পড়া পানিতে উপজেলার বিদ্যানন্দকাঠি, সাগরদাড়ি ইউনিয়নের প্রায় ২০টি গ্রাম গত তিন মাস ধরে প্লাবিত হয়ে আছে। এখানকার মানুষ দুর্বিষহ জীবন-যাপন করছে। সোমবার দুপুরের বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত এলাকায় প্রায় এক ফুট পানি বৃদ্ধি পায়।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম জানান, কপোতাক্ষ নদের বিপদসীমার প্রায় ২/৩ ফুট উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। নদের নিচু এলাকা খনন না হওয়া পর্যন্ত এ পানি সরে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।
সড়ক সংস্কারের দাবিতে
সাতক্ষীরায় মানববন্ধন
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সদর উপজেলার কদমতলা থেকে সীমান্তবর্তী বৈকারী পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত ওয়াজেদ আলী সড়কটি আশু সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে এলাকাবাসী। সোমবার শহরের কদমতলা বাজার এলাকায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধন চলাকালে বক্তারা বলেন, জেলার অন্যতম ব্যস্ততম সাতক্ষীরা-বৈকারী সীমান্ত সংযোগ সড়ক দিয়ে আগরদাঁড়ি, শিবপুরসহ ৫টি ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন জেলা শহরে আসা যাওয়া করে। কিন্তু সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। প্রায় ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। এমতাবস্থায় এলাকার মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ এই সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছে। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা উন্নয়ন সংঘের আহবায়ক রাকিব হায়দার , সদস্য সচিব মো: গোলাম রসুল, মনিরুজ্জামান মিন্টু প্রমুখ।
