ভারতের সঙ্গে শুল্ক বিষয়ক আলোচনা প্রত্যাশিত ফল ছাড়াই সমাপ্ত

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০১৩, ২১:৪৪
বাংলাদেশ ও ভারতের শুল্ক বিষয়ক আলোচনা প্রত্যাশিত ফল ছাড়াই সমাপ্ত হলো। বাংলাদেশি পণ্য বিশেষত গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানিতে দেশটিতে ১২ শতাংশের বেশি কাউন্টারভেইলিং ডিউটি প্রত্যাহার বা কমানোর বিষয়টি বাংলাদেশের তরফে প্রধান ইস্যু ছিল। এছাড়া বাংলাদেশি পণ্যের মান সনদ (বিএসটিআই প্রদত্ত) ভারতের বন্দরে গ্রহণ করার ইস্যুটিও ছিল। কিন্তু এ দুটি ইস্যু এই বৈঠকে সমাধান হয়নি। অবশ্য শুল্ক স্টেশন খোলা রাখার ক্ষেত্রে সময়গত ব্যবধান দূর করা, আগামী জানুয়ারি থেকে বেনাপোল-পেট্রাপোল ও আখাউড়া-আগরতলা শুল্ক স্টেশন সপ্তাহের সাতদিনই খোলা রাখার বিষয়ে সম্মত হয়েছে উভয় দেশ। এছাড়া রাজস্ব ফাঁকি রোধে শুল্ক বিষয়ক তথ্যাদি আদান-প্রদান ও উভয় দেশের শুল্ক কর্মকর্তাদের অন্য দেশের শুল্ক স্টেশনে যাওয়া আসার ক্ষেত্রে প্রক্রিয়াগত ঝামেলা কমানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দুই দিনব্যাপী জয়েন্ট গ্রুপ অব কাস্টম (জেজিসি) বৈঠক আরো কয়েকটি অনিষ্পন্ন বিষয় সমাধানের বিষয়ে সম্মত হয় উভয় দেশ। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন ও ভারতের রাজস্ব সচিব সুমিত বোস। মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে দুই দিনব্যাপী এই বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন এনবিআর চেয়ারম্যান। অনিষ্পন্ন ইস্যু সমাধান না হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, যে কোন ইস্যু রাতারাতি সমাধান সম্ভব নয়। তবে গত দুইদিনের বৈঠকে বেশ কয়েকটি বিষয় সমাধানের জন্য সময় সীমা নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। এটি অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ। সুমিত বোস বলেন, শুল্ক বিষয়ক যে কোন সমস্যা যাতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা সমাধান করতে পারেন সে জন্য উভয় দেশ সম্মত হয়েছে। বাংলাদেশি পণ্যের কাউন্টারভেইলিং ডিউটি কমানো ও বাংলাদেশি মান সনদ গ্রহণের বিষয়ে তিনি বলেন, এ জন্য আরো আলাপ-আলোচনার প্রয়োজন আছে।