অতীতের সকল অন্ধকার অমানিশা পিছনে ফেলে নতুন শপথে, নতুন দিনের আলোকবর্তিকা হাতে যাত্রা শুরু করেছিল ফেনী পৌরসভা। সাধক পীর সৈয়দ আমীর উদ্দিন (রঃ) ওরফে পাগলা মিয়ার স্মৃতি ধন্য এই ফেনী পৌরসভা ১৯৫৮ সালে মাত্র ৬.৪৮ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে যা ২৭.২০ বর্গকিলোমিটার। মেয়র নিজাম উদ্দিন হাজারী দায়িত্ব গ্রহণের পর ২৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য ও আইন শৃংখলাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে জনজীবনের মান উন্নয়নে কাজ করার জন্য জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পৌর কর্তৃপক্ষ। পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার লক্ষ্যে পৌর এলাকা সমপ্রসাণের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে নেয়ার জন্য পৌরসভার বিভিন্ন রাস্তাঘাট পাকা করণ, নালা নর্দমা, সুয়ারেজ লাইন উন্নয়ন এবং রাস্তায় সোডিয়াম বাতিসহ পৌরসভার প্রাকৃতিক দৃশ্য সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য, যানজট নিরসন ও জীবন যাত্রার মান বৃদ্ধিসহ মৌলিক মানবিক চাহিদা পূরণ করে ফেনীকে একটি দৃষ্টিনন্দন শহর হিসাবে গড়ে তুলতে মেয়র মূখ্য ভূমিকা পালন করে আসছেন। ইতিমধ্যে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে ফেনীর কৃতি সন্তানদের নামে নামকরণ করা হয়েছে। ফেনী একটি প্রাচীনতম শহর হওয়া সত্ত্বে ও অতীতের সন্ত্রাস ও দুঃশাসনের কারণে ফেনীতে কোন দৃষ্টি নন্দন স্থাপনা গড়ে উঠেনি। কিন্তু বর্তমান মেয়র পৌরসভার পক্ষ থেকে শহরের অতীব গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোকে খেজুর চত্ত্বর, দোয়েল চত্ত্বর, জিরো পয়েন্ট ইত্যাদি নাম দিয়ে চিহ্নিত করেছেন যাতে মানুষ অল্প সময়ে গন্তব্যস্থলে পৌঁছে যেতে পারে। পৌর নাগরিকদের ভেজাল খাদ্য থেকে বিরত রাখার জন্য পৌরসভার মালিকীয় সুলতান মাহমুদ পৌর হকার্স মার্কেটে আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে একটি স্থায়ী ফরমালিন পরীক্ষাগার স্থাপন করা হয়েছে।
এখানে নেই অতীতের মতো দাঙ্গা-হাঙ্গামা। সব দিক দিয়ে বর্তমান ফেনী এখন একটি শান্তির জনপদ হিসাবে গড়ে উঠেছে। তাই ফেনীবাসীর প্রত্যাশা রাজনীতিতে এখন যেমন সহ অবস্থানের ধারা রয়েছে তা যেন আগামীতে ও অব্যাহত থাকে।
