রাজশাহীর বাগমারার খয়রা বিলে দুই মাস ধরে ১৪৪ ধারা জারি থাকায় জেলেরা মাছ ধরতে পারছেন না। তবে প্রভাবশালীরা বিলটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিলে ১৪৪ ধারা জারি থাকায় সংঘর্ষ সহিংসতা বেড়ে চলেছে। প্রায় দুই মাস ধরে বিলে মাছ ধরতে না পারায় বিল এলাকার প্রায় সহস্রাধিক জেলে পরিবার মানবেতর জীবন-যাপন করছে। উপজেলার খয়রা বিল শ্রীপুর ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান মকবুল হোসেন মৃধা ও দ্বীপপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াজেদ আলীর নেতৃত্বে কয়েকজন প্রভাবশালী দখল করে মাছ ছাড়েন। তারা নামমাত্র কিছু জমির মালিককে টাকা দিয়ে ২০০০ বিঘার পুরো বিল দখল করেন। এ সময় জেলেরাও কিছু মাছ ছেড়ে বিলে মাছ ধরার চেষ্টা করেন। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে গত ১৫ আগষ্ট বড় ধরনের সংঘর্ষ ও পরে তা অব্যাহত থাকায় প্রশাসন ওই দিন সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে খয়রা বিলে ১৪৪ ধারা জারি করে।
বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদেকুল ইসলাম জানান, বিলটিতে এখনো ১৪৪ ধারা বহাল আছে। তবে তা অল্পদিনের মধ্যে প্রত্যাহার করে নেয়া হবে।
উল্লে¬খ্য, খয়রার বিলের কিছু পরিমাণ জমি মালিকদের কাছ থেকে ইজারা নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা মাছ চাষ শুরু করেন। পরে জেলেরা বিলটি উন্মুক্ত রাখার দাবি জানিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেন।
