সুনামগঞ্জসহ তিন স্থানে চার খুন

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০১৩, ২১:১৯
সুনামগঞ্জ ও সিরাজগঞ্জসহ চার স্থানে পৃথক ঘটনায় চারজন খুন হয়েছেন। খবর ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের। সুনামগঞ্জ সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাগমারা গ্রামে মেয়ের জামাইকে বাঁচাতে গিয়ে প্রতিপক্ষের কিল ঘুষিতে শ্বশুর তোতা মিয়া (৫৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে সিলেট রাগিব রাবেয়া হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। জানা যায়, গত ১৯ অক্টোবর বিকালে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে মো. ফিরোজ মিয়াকে মারধর করে একই গ্রামের মৃত সুরুজ আলীর ছেলে মো. আলমগীর হোসেন। মেয়ের জামাই ফিরোজ মিয়াকে রক্ষা করতে শ্বশুর তোতা মিয়া ঝগড়া থামাতে গেলে আলমগীর তোতা মিয়ার বুকে উপর্যপুরি কিল ঘুষি দিলে তিনি জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে যান। আহত অবস্থায় প্রথমে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পরে সিলেট রাগিব রাবেয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিরাজগঞ্জ সিরাজগঞ্জের বেলকুচি ও উল্লাপাড়ায় অজ্ঞাত যুবক ও যুবতীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা যায়, গত বুধবার রাতে বেলকুচি উপজেলার মনতলা চরে যমুনা নদী থেকে এক যুবকের গলিত দুর্গন্ধযুক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে পুলিশ সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। অপরদিকে বৃহস্পতিবার সকালে সিরাজগঞ্জের উল্ল¬াপাড়া উপজেলার সলপ ইউনিয়নের কোনাবাড়ি ব্রিজ এলাকা থেকে অজ্ঞাত এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ লাশ সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। বেনাপোল (যশোর) বেনাপোল চেকপোস্টে রফতানি গেট এলাকায় গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে অজ্ঞাত (৫৫) এক ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ গাছ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঘটনার দিন ভোরে ঐ ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করে লাশ বাংলাদেশের ভেতর জিরো পযেন্টের কাছে গাছে ঝুলিয়ে রাখে বিএসএফ। বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতালে মার্গে প্রেরণ করেন। ২৬ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল মতিউর রহমান জানান, এ হত্যাকা্লের পেছনে বিএসএফ’র জড়িত থাকার বিষয়টি সত্য নয়।