শেরপুরে সাহেববাড়ী বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ভাঙ্গন

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০১৩, ২২:০৬
বগুড়া শেরপুরের বাঙ্গালী নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের একাংশ ধসে বেশ কয়েকটি বাড়ি-ঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এছাড়াও আরও বেশকিছু ঘর-বাড়ি, ফসলি জমি হুমকির মুখে রয়েছে। বাঙ্গালী নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে বাঁধটির দক্ষিণ অংশের বেশকিছু এলাকায় এই ভাঙ্গন শুরু হয়। এভাবে ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ অনেক বাড়ি-ঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। আর এ বাঁধ ধসে গেলে হাজার হাজার একর জমির ফসলসহ বিভিন্ন এলাকার ঘর-বাড়িও তলিয়ে যাবে। এ বাঁধটি ভেঙ্গে গেলে শেরপুরের মির্জাপুর, সীমাবাড়ী ইউপি ও বিশালপুর, ভবানীপুর, সুঘাটের একাংশ এবং তাড়াশ, রায়গঞ্জ থানাসহ সিরাজগঞ্জের বিশাল এলাকা বন্যার পানিতে ডুবে হাজার হাজার একর জমির ফসলসহ ঘর-বাড়ি নষ্ট হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একেএম সারোয়ার জাহান জানান, সাহেব বাড়ি বাঁধের ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সুন্দরগঞ্জে তিস্তার ভাঙ্গনে ছয়ঘরিয়া বিলীন সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) সংবাদদাতা জানান, উপজেলায় তিস্তা নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে ছয়ঘরিয়া এলাকা। হুমকির মুখে পড়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়ি বাঁধ। গত কয়েক সপ্তাহে একটানা ভাঙ্গনে কঞ্চিবাড়ি ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রাম, বোচাগাড়ি, বাংলা বাজার উজান তেওড়া, তিস্তা নদীর ভাঙ্গন মহামারি আকার ধারণ করেছে। এছাড়া হুমকির মুখে পড়েছে পূর্ব উজান তেওড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছয়ঘরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়ি বাঁধ। দুর্গত মানুষজন এখন খোলা আকাশের নিচে জীবন-যাপন করছে। ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের আফরোজা, লিলিমা, আবুল, শামছুন্নাহার জানান, তাদের বাবা-দাদার ভিটেমাটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় এখন খোলা আকাশের নিচে বেড়ি বাঁধের উপর কোন রকম ঠাঁই নিয়ে রয়েছে। এদিকে ভাঙ্গনে হুমকির মুখে পড়া উজান তেওড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনটি উপজেলা প্রশাসন তড়িঘড়ি করে স্বল্পমূল্যে নিলামে বিক্রি করেছে। ভাঙ্গন অব্যাহত থাকায় এলাকাবাসী আতঙ্কে ভুগছে। এব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পওর) জানান, এতবড় ভাঙ্গন ঠেকানোর মত ফাণ্ড তাদের হাতে নেই। ইউএনও আহসান হাবিব জানান, ভাঙ্গন ঠেকানোর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বার বার আবেদন করছেন।