আন্তঃনগর ট্রেনের টিকেট গাইবান্ধা রেল স্টেশনের বুকিং অফিসের কাউন্টারে না পাওয়া গেলেও পাওয়া যাচ্ছে স্টেশন প্ল¬াটফরমের আশ-পাশে পান-সিগারেটের দোকানে। স্টেশনের কর্মকর্তা-বুকিং কর্মচারীদের যোগসাজশে দীর্ঘদিন এ কারবার চলছে। বিভিন্ন উত্সবকে কেন্দ্র করে এ চক্র বেপরোয়া হয়ে উঠে। ফলে যাত্রীদের গুনতে হয় দ্বিগুণ বা তার চেয়ে বেশি টাকা।
গাইবান্ধা থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর লালমনি ও রংপুর এক্সপ্রেসের শোভন, চেয়ার ও প্রথম শ্রেণির টিকিটের প্রকৃত মূল্য যথাক্রমে ৩৪৫, ৪১০ ও ৫২০ টাকা। নির্ধারিত মূল্যে টিকিট প্রাপ্তির জন্যে বুকিং অফিসে গেলে জানিয়ে দেয়া হয় টিকিট শেষ। কিন্তু নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম দিলে সহজেই পাওয়া যায় টিকিট।
স্কুল শিক্ষক আব্দুস সাত্তার জানান, ঢাকা থেকে ঈদ করতে আসা তার আত্মীয়-স্বজনের ফেরার জন্য স্টেশনে টিকিট কাটতে গেলে তিনি বিড়ম্বনায় পড়েন। পরে প্লাটফরমের একটি দোকান থেকে প্রায় দ্বিগুণ মূল্য দিয়ে তিনি টিকিট সংগ্রহ করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রেল কর্মচারী জানান, দালালদের মাধ্যমে টিকিট বাণিজ্যের এ ঘটনায় প্রায় দিনই যাত্রীদের সাথে ঝামেলায় পড়তে হয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।
স্টেশন মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ মণ্ডল বলেন, কালোবাজারীর সাথে রেলের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত নয়। বরং বাইরের কোন চক্র জড়িত থাকতে পারে।
