উখিয়ায় চালের বাজার অস্থির

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০১৩, ২০:৫৯
উখিয়ার চালের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। মধ্যবিত্ত ক্রেতা সাধারণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নাভিশ্বাসে উঠেছে। ক্রেতাদের অভিযোগ হরতালকে পুঁজি করে ব্যবসায়ীরা চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। খুচরা চাল বিক্রেতাদের অভিযোগ স্থানীয় আড়ত্দার পাইকারী ব্যবসায়ীরা চাল মজুদ করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করায় মোটা ও চিকন চাল বস্তা প্রতি তিনশত টাকা বেড়েছে। পাশাপাশি তরকারি, মাছ, মাংসসহ সকল প্রকার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর দাম বেড়ে গেছে। স্থানীয় পাইকারী ব্যবসায়ী বিশ্বনাথ ষ্টোরের মালিক রতন বিশ্বাস জানান, হরতালের কারণে যানবাহন চলাচল করছে না। দোকানে যা চাল ছিল তা খুচরা ব্যবসায়ীদের বিক্রি করে দেয়া হয়েছে। সরবরাহ না থাকার কারণে খুচরা বাজারেও চালের দাম বাড়তে পারে। এ ব্যাপারে হাট-বাজার মনিটরিং কমিটির সভাপতি ইউএনও সাইফুল ইসলাম জানান, ব্যবসায়ীরা হরতালের অজুহাতে দাম বাড়িয়ে নিচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজারদর নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ৪ সদস্যের একটি পর্যবেক্ষক টিম হাট-বাজারগুলো পরিদর্শন করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বকশীগঞ্জে দুধের কেজি ২৫ টাকা! বকশীগঞ্জ (জামালপুর) সংবাদদাতা জানান, হরতালের প্রভাব পড়েছে বকশীগঞ্জ উপজেলার দুধের বাজারে। গত ২ দিনে বকশীগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি হাটবাজারে প্রতিকেজি দুধ বিক্রি হয়েছে ২৫/৩০ টাকায়। হরতালের কারণে দূর-দূরান্তের পাইকাররা আসতে না পারায় অন্যান্য দিনের তুলনায় প্রতিকেজি দুধ ৩০/৩৫ টাকা কম দরে বিক্রি হয়েছে। বকশীগঞ্জ উপজেলার ১৩টি হাটবাজারে প্রতিদিন ৩০০/৩৫০ মণ গরুর দুধ আমদানি হয়ে থাকে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বকশীগঞ্জ ছাড়াও শেরপুর, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহ জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের পাইকাররা সরাসরি বকশীগঞ্জ উপজেলা থেকে দুধ আমদানি করে থাকে। এ কারণে প্রতিদিন খুচরা বিক্রেতারা প্রতি কেজি দুধ ৬৫/৭০ টাকায় বিক্রি হয়ে থাকে। কিন্তু রোববার থেকে ১৮ দলীয় জোটের হরতালের কারণে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় দূর-দূরান্তের পাইকাররা বকশীগঞ্জে আসতে পারেনি।