আগামি ফুটবল মৌসুমের জন্য মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্র দলগঠনের কাজ শেষ করে ফেলেছে। স্থানীয় ফুটবলারদের চূড়ান্ত করার কাজটি প্রায় গুছিয়ে ফেলেছে। যাদের পছন্দ হয়েছে তাদেরকে পারিশমিক দিয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করিয়েছে। কিন্তু স্বাক্ষরকৃতদের মধ্যে নেই আজমল হোসেন বিদ্যুত্ এবং রোকুনজ্জামান কাঞ্চন। এই দুই ফুটবলার গত মৌসুমেও দলে নিয়মিত খেলেছেন। কিন্তু তাদেরকে এবার উপেক্ষা করেছে দল গঠনের দায়িত্ব পাওয়া ব্যক্তিরা। এই ফুটবলার শুধু দলের জন্যই খেলেননি, একই সাথে মুক্তিযোদ্ধা যখন চরম আর্থিক টানাপোড়েনে পড়ে সংকট মুহুর্ত কাটাচ্ছিল তখন অন্যদের সাথে বিদ্যুত্ এবং কাঞ্চন দলকে ধরে রেখে রাখার পেছনে ভুমিকা রেখেছিলেন। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ফুটবলাদের অর্থাভাবে খেলোয়াড়দের অনুশিলন ছিল না, খাওয়া দাওয়া ছিল না। তখন টিটু, কাঞ্চন, বিদ্যুত্সহ অনেকই দল ফেলে অন্য ক্লাবে যাননি। কোনো রকমে দলটাকে রেলিগেশন থেকে বাঁচার জন্য প্রাণ উজাড় করে দিয়ে মাঠের খেলায় লড়াই করে গেছেন। তখন বিপদের সময় অন্যান্য ক্লাবের কোচ কর্মকর্তারা মুক্তিযোদ্ধা ফুটবল দলের খোঁজ নেয়ারও প্রয়োজন মনে করেনি। সেই সংকট সময় কেটে গেছে। এখন সুসময়ে অনেকেই মুক্তিযোদ্ধা ফুটবল দলের প্রেমে পড়ে পুরনোদের উপেক্ষা করছেন। দল গঠনের দায়িত্ব পেয়ে পছন্দের খেলোয়াড়দের জায়গা করে দিচ্ছেন। জাতীয় দলের সাবেক স্ট্রাইকার কাঞ্চনের দাবি আমরা যদি পারফরম্যান্স করতে না পারি তাহলে এক কথা। আমারা তো গত মৌসুমেও নিয়মিত লিগ খেলেছি। তাহলে এখন কী দোষ করলাম।
