প্রি য় মু খ .......................

কোথাও হারে না হাবিবা

আপডেট : ২৯ অক্টোবর ২০১৩, ১৮:৪৩
প্রকৃতির কোলে বেড়ে ওঠা। তাই ফুল পাখিদের সঙ্গে নিত্যদিনের মিতালি। পাখির কলকাকলিতে ঘুম ভাঙ্গা আর দিনশেষে জোসনা বা জোনাকির আলো মেখে ঘুমাতে যাওয়া সবই খুব স্বাভাবিক ব্যাপার মৌয়ের। নাচ, আবৃত্তি, ছবি আঁকা কিংবা ভালো রেজাল্ট, সবক্ষেত্রেই সাফল্য তার হাতের মুঠোয়। তাই আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখতেই পারেন উম্মে হাবিবা মৌ। চার বছর বয়স থেকেই নাচের পাঠ নেয়া শুরু। শুরুটা প্রতিভা রহমানের হাতে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্বের শিক্ষক সোমা মমতাজের কাছেই নাচের পাঠ নিয়েছেন তিনি। কত্থক, ভারত নাট্যমসহ নাচের বিভিন্ন বিষয়ে তালিম নিয়েছেন ছোটবেলা থেকেই। স্কুল, কলেজসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের নিয়মিত পারফরমার মৌ অংশ নিয়েছেন মার্কস অলরাউন্ডারেও। সেখানে সারাদেশের মধ্যে সেরা ৪০ এ ঠাঁই করে নেন। মঞ্চ নাটকের পাশাপাশি কয়েকটি টিভি নাটকেও অভিনয় করেছেন। এছাড়া বিটিভির প্রতিযোগিতামূলক নাচের অনুষ্ঠানে দ্বিতীয় স্থান, শিল্পকলা অ্যাকাডেমি আয়োজিত রবীন্দ্র উত্সবের নাচ প্রতিযোগিতায় প্রথম, বাংলা অ্যাকাডেমি আয়োজিত প্রতিযোগিতায় প্রথমসহ অসংখ্য পুরস্কার জিতেছেন। ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে বহুবার সেরা হয়েছেন মৌ। কবিতা আবৃত্তিতে ছায়ানট, শিল্পকলা অ্যাকাডেমি, বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিজয়মেলাসহ কোনো প্রতিযোগিতাতেই ২য় হননি উম্মে হাবিবা মৌ। বিতর্কেও রয়েছে দারুণ সাফল্য। স্কুল এবং কলেজ পর্যায়ে সেরা বিতার্কিক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন বহুবার। নাচ, আবৃত্তি বা বিতর্কে সাফল্য হাতের মুঠোয় পুরে আবার পড়াশুনায় অমনোযোগী নন তিনি। ক্লাসের বাইরে সৃজনশীল কর্মে সেরা যেমন হয়েছেন তেমনি পড়ালেখাতেও রেখে চলেছেন সাফল্যের স্বাক্ষর। উপজেলা পর্যায়ে বৃত্তি পেয়েছেন। এছাড়া এসএসসিতে জিপিএ ৫ পেয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল এন্ড কলেজ থেকে। আগামী বছর এইচএসসি দেবেন একই প্রতিষ্ঠান থেকে। পড়ালেখা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সব সময় মা অনুপ্রেরণা দেন বলে জানান মৌ। ডাক্তার বাবার কন্যা হিসেবে ডাক্তার হওয়ার একান্ত ইচ্ছে তার। তিন বোনের মধ্যে দ্বিতীয় মৌ, তার স্বপ্নগুলো নিয়ে আকাশ ছোঁয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।