নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ

ওদের এগিয়ে চলা

আপডেট : ২৯ অক্টোবর ২০১৩, ১৮:৪৪
যাত্রা শুরু ১৯৯২ সালে। এরপর আর থেমে থাকতে হয়নি। এগিয়ে চলছে প্রতিনিয়ত। বলছিলাম নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের কথা। বিশ্বায়নের দাবি পূরণে বিশ্ববিদ্যালয়টি ভূমিকা রাখছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে যুগোপযোগী কোর্স পড়ানো হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সজীব কুমার বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়টি সুনামের সাথে শিক্ষা কার্যক্রম সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ভিজিট না করলে বুঝাই যায় না তারা কত গুরুত্বের সাথে শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ করে যুগোপযোগী এবং আন্তর্জাতিকমানের শিক্ষা প্রদান করছে।’ জানা গেছে, এনইউবিতে পাঁচটি ফ্যাকাল্টিতে দশটি ডিপার্টমেন্ট রয়েছে। মান বজায় রাখার জন্য এখানে ছাত্র-শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারী মিলে টিম ওয়ার্ক হয়। ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠ্য বইয়ের সাথে নিয়মিত বিষয়ভিত্তিক সেমিনার, ক্যারিয়ার গঠনমূলক ওয়ার্কশপ, সিম্পোজিয়াম, তথ্যপ্রযুক্তি বিস্তারে আইটি মেলা, স্টাডি ট্যুর, গণিত অলিম্পিয়াড, ফুটবলসহ বিভিন্ন গেমসে সম্পৃক্ত করা হয়। এনইউবি-এর চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, ‘সুশিক্ষিত জাতি ও দক্ষ মানবসম্পদ ছাড়া আমরা উন্নত জাতিতে পরিণত হতে পারবো না। দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য আমরা শিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির জন্য নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’ তিনি আরো বলেন, ‘অনলাইন ভিত্তিক লাইব্রেরী, ডিপার্টমেন্টগুলোর জন্য ল্যাবরেটরী, নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে কোন না কোন শিক্ষককে উচ্চতর ডিগ্রী নেয়ার জন্য বিদেশে প্রেরণ, গবেষণার কাজে শিক্ষকদেরকে বাধ্যতামূলক অংশগ্রহণ ইত্যাদি কাজ করতে পেরেছি। মেধাবী শিক্ষকদের একটি সমাবেশ এখানে ঘটাতে আমরা সক্ষম হয়েছি।’ উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. শামছুল হক বলেন, ‘মেধাবীদের শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। অভিজ্ঞ প্রফেসরদের ফুলটাইম শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এখানে ছাত্র-শিক্ষকদের মধ্যে সম্পর্ক সুমধুর, একে অপরের বন্ধুর মতো। শিক্ষকরা প্রয়োজনমত ছাত্রদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিয়ে থাকেন।’