উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ভেতর বন গবেষণা কেন্দ্র ও এর পাশে পরীক্ষামূলক ওয়েল পাম বাগানের জীর্ণদশা অবস্থা। সংস্কারের অভাবে গাছগুলো লতাপাতায় ঘিরে ফেলেছে ও পচন শুরু হয়েছে। পর্যটকদের মাধ্যমে জাতীয় উদ্যানের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় হলেও বন গবেষণা কেন্দ্র ও ওয়েল পাম বাগানের জীর্ণদশা পর্যটকদের হতাশ করছে। জানা যায়, ১৯৭৯ সালে উদ্যানের এক একর জমিতে ওয়েল পামের পরীক্ষামূলক বাগান স্থাপন করা হয়। ৭২টি ওয়েল পাম গাছ নিয়ে বাগানটি দীর্ঘ ৪৪ বছরে বনের গাছের সাথে একাকার হয়ে পড়ছে। কিন্তু দীর্ঘদিনেও বাগানে কোন সংস্কার ও পরিচর্যার কোন চিত্র পরিলক্ষিত হয়নি। একই অবস্থা ধারণ করছে বন গবেষণা কেন্দ্রেও। জাতীয় উদ্যানে আসা পর্যটকরা বলেন, বন গবেষণা কেন্দ্রের সাথেই স্থাপিত বাগানটির সাইনবোর্ড না থাকলে সহজে কেউ ওয়েল পাম বাগান বলে বুঝতে পারবে না। ওয়েল পাম বাগানসহ গুরুত্বপূর্ণ দেশীয় বিরল প্রজাতির গাছ-গাছালির পরিচর্যা, সংস্কার ও সংরক্ষণ খুবই প্রয়োজন বলে তারা মন্তব্য করেন। ওয়েল পাম বাগানের জীর্ণদশা সম্পর্কে লাউয়াছড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা (বন্যপ্রাণী) মো. মর্তুজ আলী তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করে বন গবেষণা কেন্দ্রের দায়িত্বরত লোকদের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন।
