দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া উপজেলা নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম-১৫ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের গণসংযোগ শুরু হয়েছে। অনেকেই পোস্টার ও বিলবোর্ডের মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে নিয়মিত যোগদান এবং স্ব স্ব দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছেও ধরনা দিচ্ছেন। আওয়ামী লীগ এবার এ আসনটিতে জয়লাভের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। মাঠ পর্যায়ে জোরেশোরে প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছে। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম নেতা-কর্মী সমর্থকদের নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে নিয়মিত উঠান বৈঠক ও সভা সমাবেশ করছেন। অন্যদিকে জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য আ.ন.ম শামসুল ইসলামও এলাকায় নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আরো যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন—জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এডভোকেট এ.কে.এম সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান, আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজাম উদ্দীন নদভী। সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও বনফুল এন্ড কোং এর চেয়ারম্যান এম.এ মোতালেব সিআইপি। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন— চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাতকানিয়া উপজেলা সভাপতি অধ্যাপক শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দীন ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক নাজমুল মোস্তফা আমিন। অপরদিকে এলডিপি থেকে সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী ও এলডিপির চেয়ারম্যান ড. কর্ণেল (অবঃ) অলি আহমদ বীর বিক্রমের নাম শোনা যাচ্ছে। এ আসনে ১৯৯১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত চারবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩ বার জামায়াত প্রার্থী ও একবার বিএনপি প্রার্থী নির্বাচিত হয়।
