ডিমিউচ্যুয়ালাইজড হিসেবে ডিএসই’র যাত্রা শুরু

আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০১৩, ১৯:৩৫
ডিমিউচ্যুয়ালাইজড (মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা পৃথক) হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। গতকাল শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) অনুষ্ঠিত হওয়ার মধ্য দিয়ে এ যাত্রা শুরু হলো। সভায় ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশনের অনুমোদিত কর্মসূচি, সংশোধিত সংঘস্মারক ও সংঘবিধি এবং বর্তমান পর্ষদকে প্রথম পরিচালনা পর্ষদের দায়িত্ব পালনের অনুমতিসহ মোট চারটি বিষয়ে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ডিএসই কার্যত ডিমিউচ্যুয়ালাইজড স্টক এক্সচেঞ্জে পরিণত হলো। তবে ডিএসইকে কোম্পানিতে রূপান্তরসহ বেশ কিছু কাজ অবশিষ্ট রয়েছে। যা স্কিম অনুযায়ী সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন ডিএসই কর্মকর্তারা। এর আগে ডিএসইর ইজিএমকে কেন্দ্র করে জটিলতা সৃষ্টি হয়। ডিএসইর সাবেক সভাপতি আহমেদ ইকবাল হাসান কিছু অসঙ্গতির বিষয়ে ২৮ অক্টোবর হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করার প্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত ইজিএম-এর উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ফলে গত মঙ্গলবার সব আয়োজন সম্পন্ন করার পরও শেষ মুহূর্তে আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে ইজিএম শুরু করেই মুলতবি করা হয়। পরে বুধবার সকালে রিট প্রত্যাহার করে নেন আহমেদ ইকবাল হাসান। ফলে ডিএসই ইজিএম করার অনুমতি পায়। এরই প্রেক্ষিতে গতকাল মুলতবিকৃত ইজিএম অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে ডিএসই’র অনুমোদিত মূলধন ধরা হয়েছে আড়াই হাজার কোটি টাকা। ১০ টাকা শেয়ার দরে ডিএসই’র শেয়ারসংখ্যা দাঁড়াবে ২৫০ কোটি। ইজিএমে অনুমোদিত মূলধন ও শেয়ার বিভাজনের এসব সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়েছে। এর আগে ডিএসই’র অনুমোদিত মূলধন ছিল ৫ লাখ টাকা। ২ হাজার টাকা শেয়ার দরে মোট শেয়ার সংখ্যা ছিল ২৫০টি। ডিএসই সভাপতি আহসানুল ইসলাম টিটুর সভাপতিত্বে ইজিএমে উপস্থিত ডিএসই’র ছিলেন সিইও ড. স্বপন কুমার বালা, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ শাহজাহান, ভাইস প্রেসিডেন্ট মিজানুর রহমান খান এবং পরিচালকবৃন্দসহ ডিএসই’র সদস্যরা।