গান নিয়ে নতুন যুদ্ধে আসিফ!

আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০১৩, ১৯:৫৩
দীর্ঘদিন পর আবারও গান নিয়ে সিরিয়াস হয়ে সফলতার অঙ্কে ঘুরে বেড়াচ্ছেন আসিফ। একের পর এক অ্যালবাম রিলিজের পাশাপাশি এবারে আর সিডি বিক্রি নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন না তিনি। বরং ডিজিটালি কীভাবে কতদিক দিয়ে একটি গানের রয়্যালিটি বের করা যায় সেই চেষ্টাই করছেন এখন। লম্বা বিরতি বা অভিমান ভেঙে এখন আসিফ তার আর্ব এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারেই অ্যালবাম রিলিজ দিচ্ছেন নিয়মিত। তবে অডিও বাজারের অন্য প্রকাশকদের মতো ভ্রু কুঁচকে হতাশায় গলা শুকাচ্ছেন না তিনি। আসিফ বলেন, ‘আমার অ্যালবামে রয়্যালিটির হিসেবে একেবারেই স্বচ্ছ। মাত্র কিছুদিন আগেই আমার একটি গানের মাত্র কয়েকদিনের রয়্যালিটি হিসেবে কবির বকুল ভাই ২২ হাজার টাকা পেয়েছেন। আমার জানামতে এটি একটি রেকর্ড। এ ছাড়া রাজীব আহমেদ তিনটি গানের জন্য প্রায় দেড় লক্ষ টাকা পেয়েছেন। এখন মাত্র একটি টেলিকমের সাথে কাজ করছি। বাকিদেরও আমরা আয়ত্তে নিয়ে আসছি। এরই ভেতরে একটি টেলিকম আমার প্রায় দেড়শত গান অবৈধভাবে আপলোড করে দিয়েছে। সেগুলো নিয়েই বসছি আমরা।’ আর নতুন গান প্রসঙ্গে আসিফ বলেন, ‘আমি প্রায় ১০ বছর আগে অডিওতে ১২/১৪ জন শিল্পীকে বদলে ২/৩ জনের মিক্সড অ্যালবাম প্রথা চালু করেছিলাম। সেটিতে সফলও হয়েছি। এবারে ডুয়েট প্রথা চালু করছি। আমার আগামীতে ডলি সায়ন্তনী, ন্যান্সি, কোনাল, কণা, নাজনীন মিমিসহ বেশ কজন শিল্পীদের সাথে ডুয়েট প্রকাশ হবে। এগুলোর একটানা কাজ চলছে। তবে শুধু আমার একার অ্যালবামই আমি বের করব না। সকলেরই প্লাটফর্ম হিসেবে এটি কাজ করবে। যদিও আমি তরুণদের চিন্তা-ভাবনা নিয়ে হতাশ। কারণ তারা যুগের সাথে নেই। উদাহরণ দিয়ে বলতে পারি, ক্লোজআপের কিশোর ছেলেটি তার স্টেজ শো, প্লে-ব্যাক থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গা থেকে টাকা গুছিয়ে ফ্রিতে একটি অ্যালবাম বের করেছে সম্প্রতি। শুধুমাত্র কোম্পানি তাকে ভিডিও তৈরি করে দেবে এই আশ্বাসে। কিন্তু এভাবে নিজে নিজে ভিক্ষা করে অ্যালবাম কতদিন। এটা তো কোনো সিস্টেম হতে পারে না। বিশ্বাসযোগ্যতা থাকলে আর গানের কোয়ালিটি থাকলে এখন একটি গান দিয়ে অনেক কিছু করা সম্ভব। সেটিই আমি করে দেখাব।’