সীমান্ত আইনের মারপ্যাঁচে হিলির একটি গ্রাম

আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০১৩, ২০:১৯
সীমান্ত আইনের মারপ্যাঁচে পড়ে হাকিমপুরের একটি গ্রামের অস্তিত্ব বিলীন হতে বসেছে। নিয়ম নেই বলে সুদীর্ঘ শতাব্দী পেরিয়ে গেলেও ১৯৮ টি পরিবার অধ্যুষিত এ গ্রামে একটি ঘর নির্মাণ বা পুনঃনির্মাণ সম্ভব হয়নি। তাদের অন্যত্র পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করা হয়নি। পুরো গ্রাম বলতে গেলে এখন চোরাচালানীদের বৃহত্ আড়তে পরিণত হয়েছে। গ্রামের নাম বাগমারা। ’৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর এ গ্রামের এক তৃতীয়াংশ পড়ে বাংলাদেশে বাকিটা হাঁড়ি পুকুর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি থানার অন্তর্ভুক্ত। বাংলাদেশের হাঁড়িপুুকুর গ্রাম দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর থানা বোয়ালদাড় ইউনিয়নের অন্তর্গত। পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর-এর হিলি থানার অন্তর্গত বাগমারা গ্রাম। এভাবে গ্রামটিকে ভাগ করে দিলেও গ্রামবাসীকে ভাগ করতে পারেনি। ভারত ও বাংলাদেশের কোন বাধা না থাকায় চোরাচালানীরা অন্যতম নেটওয়ার্ক হিসেবে গড়ে উঠেছে উক্ত গ্রামটি। বিজিবি দিনাজপুর সেক্টর জানান, অবস্থানগত কারণে ওই গ্রামটি হয়ে উঠেছে চোরাচালান প্রক্রিয়ার অভয়ারণ্য। তবে বাগমারা বাংলাদেশের মাঝে পরিচয়পত্র প্রদান করা হলে এটি বহুলাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এদিকে মানবিক কারণে নোম্যান্স ল্যান্ডে কোন রকম অবকাঠামো নির্মাণ করা যাবে না। ফলে ঐ গ্রামে কোন নতুন ঘর ৫০ বছরেও নির্মাণ হয়নি। অধিকাংশ বাড়িঘর জরাজীর্ণ।