চিতলমারী ও মোল্লাহাটে অবাধে অতিথি পাখি শিকার

আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০১৩, ২০:৪২
শীত আসতে না আসতে আগমন ঘটছে অতিথি পাখির। আর এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে চিতলমারীতে প্রায় অর্ধশত অসাধু পাখি শিকারি তত্পর হয়ে উঠেছে। তাদের পাতা ফাঁদে প্রতিদিন ধরা পড়ছে অসংখ্য পাখি। এসব পাখি প্রকাশ্যে ও গোপনে বিক্রি হচ্ছে এলাকার হাট-বাজারে। এলাকার বিভিন্ন লোকের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রতি বছর কার্তিকের শুরুতে এলাকার বিভিন্ন বিল, মাঠ ও জলাশয়ে খাদ্য ও আশ্রয়ের জন্য প্রচুর অতিথি পাখির আগমন ঘটে। আর এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে এলাকার কিছু পেশাদার শিকারি ফাঁদ পেতে অবাধে শিকার করে এসব পাখি। এ বছর উপজেলার শুকুনের বিল, খড়িয়া, রুয়েরকুল, রায়গ্রাম, মোল্লাহাটের কেন্দুয়া বিল, কোদালিয়া বিল, আড়ুয়াডিহির বিল ও বারাশিয়ার বিলসহ বিভিন্ন বিলে এসব শিকারিরা ফাঁদ পেতে নির্বিঘ্নে পাখি শিকার করছে। প্রতিদিন সকালে শিকারকৃত এসব পাখি বিক্রির জন্য নিয়ে আসা হয় এলাকার হাট-বাজারে। এলাকার পাগল মার্কেট, বারাশিয়া বাজার, ডুমুরিয়া বাজার ও বাখরগঞ্জ বাজারসহ বেশ কয়েকটি স্থানে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে এসব পাখি। এ ছাড়া গ্রামে বিভিন্ন বাড়িতে বাড়িতে ঘুরে এ সকল পাখি বিক্রি করা হচ্ছে বলে অনেকে জানান। পাখি শিকারি চিতলমারীর বারাশিয়ার রবিউল জানায়, প্রতি শীত মৌসুমে পাখি ধরে প্রায় দেড় লাখ টাকার মত রোজগার হয় তার। সারা বছর এই পাখি শিকারের টাকা দিয়ে সংসার চালায়। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহমান জানান, ইউএনও ও ওসিকে সঙ্গে নিয়ে শিকারিদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।