আমিনুল ইসলাম তরুণ পুরস্কার পেলেন হাবীবা ও সোহেল

আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০১৩, ২২:০২
আমিনুল ইসলাম তরুণ পুরস্কার পেলেন হাবীবা আখতার পাপিয়া এবং আনিসুজ্জামান সোহেল। গতকাল ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ে শিল্পী আমিনুল ইসলামের ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ‘আমিনুল ইসলাম তরুণ শিল্পী পুরস্কার ২০১৩’ প্রদান করা হয়। পাশাপাশি এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত ১০ জন শিল্পীর চিত্রকর্ম নিয়ে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। বরেণ্য শিল্পী মুর্তজা বশীর প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বারো দিনব্যাপী এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন এবং বিজয়ী দুজন শিল্পী হাবীবা আখতার পাপিয়া এবং আনিসুজ্জামান সোহেলকে ‘আমিনুল ইসলাম তরুণ শিল্পী পুরস্কার’ প্রদান করেন। প্রতিটি পুরস্কারের মান এক লাখ টাকা। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্পী সৈয়দ জাহাঙ্গীর, শিল্পী রফিকুন নবী এবং রুবী ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বেঙ্গল গ্যালারি অব ফাইন আর্টস্ এর পরিচালক সুবীর চৌধুরী। প্রদর্শনীতে ১০ জন শিল্পীর মোট শিল্পকর্মের সংখ্যা ৩২টি। যে দশজন শিল্পী চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনীর জন্য নির্বাচিত হয়েছেন তারা হলেন: শিল্পী আবদুল্লাহ আল বশির, শিল্পী আনিসুজ্জামান সোহেল, শিল্পী আশরাফুল হাসান, শিল্পী বিশ্বজিত্ গোস্বামী, শিল্পী ফারজানা আহমেদ উর্মী, শিল্পী গোপাল চন্দ্র সাহা, শিল্পী হাবীবা আখতার পাপিয়া, শিল্পী মো. আলমগীর হাসান, শিল্পী রুহুল করিম রুমী এবং শিল্পী সহিদ কাজী। প্রদর্শনী আগামী ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। শিল্পী আমিনুল ইসলাম ছিলেন আধুনিক চিত্রকলা আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃত্। এই অঞ্চলের প্রথম প্রজন্মের এই শিল্পীর নিরবচ্ছিন্ন শিল্পচর্চা, সামাজিক অঙ্গীকার ও আধুনিকতাবোধ আমাদের শিল্পভুবনকে সমৃদ্ধ করেছে। শিল্পী আমিনুল ইসলামের স্মৃতি রক্ষার্থে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে আমিনুল ইসলাম তরুণ শিল্পী পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়েছে। দ্বিবার্ষিক ভিত্তিতে চারুকলার ক্ষেত্রে অবদানের জন্য দুজন করে তরুণ শিল্পীকে সমমানের এ পুরস্কার প্রদান করা হবে। তরুণ শিল্পীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা আহ্বান ও প্রদর্শনী আয়োজনের মাধ্যমে পুরস্কারের জন্য শিল্পী মনোনয়ন করা হয়েছে। এ পুরস্কার প্রদান ও প্রদর্শনী আয়োজনের সার্বিক ব্যবস্থা ও পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন। ছায়ানটের নৃত্য উত্সব আজ থেকে :ছায়ানটের দুদিনের নৃত্যোত্সব শুরু হচ্ছে আজ শুক্রবার। বার্ষিক এ আয়োজনে রয়েছে মণিপুরী, ভরতনাট্যম, ওড়িশী, কত্থক এবং গৌড়ীয় নৃত্যের শাস্ত্রীয় ধারার আয়োজন। ছায়ানট আয়োজিত এ দুদিনের মিলনমেলায় যুক্ত হচ্ছেন দেশের গুণী নৃত্যশিল্পীরা। দলীয় নৃত্যে অংশ নিচ্ছে ৮টি দল। একক পরিবেশনা রয়েছে ১৭টি এবং দ্বৈত পরিবেশনা ১টি। ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবন মিলনায়তনে আজ শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ছয়টায় উত্সব শুরু হবে। এবারের নৃত্যোত্সবের সহযোগী স্কয়ার গ্রুপ ও গ্রামীণফোন। মিডিয়া সহযোগী মাছরাঙা টেলিভিশন। উপমহাদেশীয় নৃত্যকলা নিয়ে ছায়ানটের এটি চতুর্থ উত্সব। নৃত্যোত্সব উপলক্ষে বৃহস্পতিবার ছায়ানট ভবনে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ছায়ানটের সাধারণ সম্পাদক খায়রুল আনাম শাকিল, ছায়ানট সঙ্গীত বিদ্যায়তনের মণিপুরী নৃত্যকলা বিভাগের প্রধান শর্মিলা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মাছরাঙা টেলিভিশনের হেড অফ ইভেন্টস প্ল্যানিং গীতিকার কবির বকুল। দৃকে আজ শুরু প্রজাপতি নিয়ে প্রদর্শনী :রঙিন প্রজাপতি আকৃষ্ট করে সবাইকে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও প্রজাপতির রয়েছে বিশেষ ভূমিকা। তবে কংক্রিট আর কোলাহলের নগরী ঢাকায় প্রজাপতির দেখা মেলা ভার। তাই প্রত্যক্ষভাবে না হলেও রাজধানীবাসীর জন্য ফ্রেমবন্দী বহুবর্ণিল পতঙ্গটি দেখার সুযোগ সৃষ্টি করেছে একদল তরুণ। গত এক বছর ধরে দেশের ৮টি জেলা ঘুরে বিচিত্র প্রজাতির প্রজাপতির আঙ্গিকগত বৈশিষ্ট্য ও আবাসস্থল নিয়ে কাজ করেছেন ‘বাটারফ্লাই অব বাংলাদেশ ইনভেন্টরি’ নামের দলটি। নানা তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের পাশাপাশি পাখা মেলানো ও পার্শ্ব অবস্থা থেকে ছবি তুলেছেন পূর্ণাঙ্গ প্রজাপতির। সেসব ছবি নিয়ে আজ শুক্রবার ধানমন্ডির দৃক গ্যালারিতে শুরু হচ্ছে আলোকচিত্র প্রদর্শনী। প্রজাপতি সনাক্তকরণ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্বের এই প্রদর্শনীর শিরোনাম ‘ছবি দেখে শেখা’। প্রদর্শনীর পাশাপাশি প্রজাপতিবিষয়ক একটি বইয়েরও মোড়ক উন্মোচন করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচারের (আইইউসিএন) বাংলাদেশ প্রতিনিধি ইশতিয়াক উদ্দীন আহমেদ। বিশেষ অতিথি থাকবেন প্রদর্শনীর পৃষ্ঠপোষক এইচএসবিসি ব্যাংকের বাংলাদেশ শাখার চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার স্টিফেন জন বল। প্রদর্শনীতে সব মিলিয়ে দেশের ৮টি জেলার ৬৪ প্রজাতির প্রজাপতির ৮২টি ছবির দেখা মিলবে। যারা ছবি তুলেছেন তারা হলেন মীর্জা শামীম আহসান হাবিব, মো. শাহতাবুল ইসলাম, অভ্র ভট্টাচার্য, কাজী ফরহাদ ইকবাল, মো. মনোয়ার মাহমুদ জুয়েল, সিকদার নিজামুল হক, সাইফুদ্দিন সাইফ ও মারুফুল আলম। প্রদর্শনী চলবে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত।