অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ভিটামিন এ, সি, এবং ই এর সমন্বয়ে তৈরি। বিশেষজ্ঞগণ সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলছেন এন্টি-অক্সিডেন্ট অতিমাত্রায় সেবন ক্যান্সার ও হূদরোগের চেয়েও ক্ষতিকর। বিশেষজ্ঞগণ শাক-সবজি ও ফল-মূল থেকে প্রয়োজনীয় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট পাওয়া যায় বলে অভিমত দিয়েছেন।
ধারণা করা হয় আমরা যে বয়োবৃদ্ধ হই বা বয়স বেড়ে যায় তার প্রধান কারণ হচ্ছে ক্রমাগত দেহের সেল বা কোষের ক্ষয় হওয়া। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট কোষের ক্ষয় বা সেল ড্যামেজ কমিয়ে দেয়। তবে এই বহুল ব্যবহূত এন্টি-অক্সিডেন্টের অতিমাত্রায় সেবনের ঝুঁকি সম্পর্কে উল্লে¬খ করেছেন এলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক জিম কেহরার।
অধ্যাপক জিম কেহরার উল্লে¬খ করেছেন, বিজ্ঞাপনের ভাষা খানিকটা এরকম যে, বলা হয়, লিটল ইজ গুড, মোর ইজ বেটার এন্ড এ লট ইজ গ্রেট। ১৯৭০ সাল থেকে শরীরে ফ্রি রেডিক্যালস (যা দেহের কোষ ধ্বংস করে) নিয়ে গবেষণারত এই ওষুধ বিজ্ঞানীর মতে অন্তত: অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট জাতীয় ভিটামিনের ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনের এই ভাষা সত্য নয়।
একটি কানাডিয়ান সংবাদ মাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে অধ্যাপক জিম কেহরার বলেছেন, এন্টি-অক্সিডেন্টের উচ্চমাত্রা বা হাই ডোজ অত্যন্ত ক্ষতিকর। তবে চিকিত্সকের পরামর্শে স্বাভাবিক ডোজে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সেবনে কোন বাঁধা নেই।
লেখক : চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ
