বন্যহাতির ভয়ে চাষাবাদ বন্ধ ৩ বছরে মারা গেছে ১১ জন

আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০১৩, ২১:০৪
গত কয়েক বছর পাহাড়ী এলাকায় আমন ও বোরো ক্ষেত নষ্ট করে অপূরণীয় ক্ষতি করছে পাহাড়ী বন্যহাতি। প্রতিদিন ৫৫ থেকে ৬০টি হাতি সাগর কলা, ধান, পেঁপে, পেয়ারা ও লিচু বাগান তছনছ করে দিচ্ছে। হাতির ভয়ে পাহাড়ের পাদদেশের জমিতে চাষ করতে সাহস পাচ্ছে না কৃষক। ৩ বছর ধরে বন্যহাতির পাল সোনাকানিয়া, মাদার্শা, পুরানগর, ধর্মপুর, ছদাহা, এওচিয়া, কাঞ্চনা ও চরতি ইউনিয়নের পাহাড়ে অবস্থান নিয়ে ধান, শসা, লাউ, করলা, সাগর কলা, পেঁপে ক্ষেত খেয়ে ফেলছে এবং পেয়ারা ও লিচু বাগান নষ্ট করছে। তিন বছরে ২০টি বসতঘর গুঁড়িয়ে দিয়েছে এবং হাতির আক্রমণে বাবুল চৌধুরী, কোহিনূর আক্তার, মোহাম্মদ ইলিয়াছসহ ১১ জন মারা গেছেন। গত আগস্ট মাসে মাদার্শা রেঞ্জের বিট কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইসমাইল হাতির আক্রমণে আহত হয়ে এখনও অসুস্থ। সাতকানিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবদুল জব্বার জানান, গত কয়েক বছরে বন্য হাতির কয়েকটি পাল উপজেলার পাহাড়ী এলাকার ফসলি জমির বোরো, আমন ধান ও মৌসুমী সবজি ক্ষেত খেয়ে ফেলায় কৃষকরা চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। চলতি বছর এ সব এলাকায় হাতির ভয়ে অন্তত ৪শ’ হেক্টর জমিতে কোন ধরনের ফসলের চাষ হয়নি।