বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তার ও মধুমতির চর দখলকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে চলছে একের পর এক দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও সংঘর্ষ। সংঘর্ষে হাত-পা কর্তন, চোখ উত্পাটন ও বসত ঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটছে। সৃষ্ট ঘটনায় আতংকিত সাধারণ ও নিরীহ এলাকাবাসী এখন প্রশ্ন তুলেছেন এ বর্বরতার শেষ কোথায়।
উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের চরচিংগুরি গ্রামের ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা বাদশা গ্রুপ এবং একলাছ শেখ গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে অর্ধশত মানুষ আহত হয়েছে। এদের মধ্যে ডান হাতের কব্জি হারিয়েছেন আলমাক শেখ ও বাম পা হারিয়েছেন কাওছার শেখ। এক চোখ হারিয়েছেন আক্কেল আলী মোল্ল¬া। খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ছেন মুক্তিযোদ্ধা রুস্তম আলী শেখ। ঘটনার পর থেকে ওই এলাকা পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে।
এ ব্যাপারে এখলাছ শেখ জানান, তার সাথে নয়। মুক্তিযোদ্ধা রুস্তুম আলীর সাথে বাদশা গ্রুপের সংঘর্ষ হয়। এ সময় বাদশার লোকজন কাওছার শেখের পা ও আলকাম শেখের হাতের কব্জি কেটে উল্ল¬াস প্রকাশ করে।
কলাতলা ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা বাদশা শেখ জানান, দীর্ঘদিন ধরে একলাছ গ্রুপের সাথে তাদের বিরোধ চলে আসছে। আক্কেল মোল্লার চোখ উত্পাটনের ঘটনায় এ সংঘর্ষ বাধে। তবে চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. আব্দুর রহমান জানান, এ ঘটনায় ইউছুপ আলী বাদি হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এ পর্যন্ত ৫ জনকে আটক করা হয়েছে।
