শীতের শুরুতেই জমে উঠেছে আদমদীঘির প্রত্যন্ত পল্ল¬ী এলাকার সাওইল হাট। সপ্তাহে দুই দিন রবিবার ও বুধবার এ হাটে প্রায় কোটি টাকার তাঁতের তৈরি শীতের চাদর ও কম্বলসহ গরম কাপড় পাইকারি ও খুচরা বেচা-কেনা হচ্ছে। ঢাকা, রংপুর, খুলনা, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা এ হাট থেকে শীতের কাপড় চাদর ও কম্বল কিনে ট্রাকযোগে নিয়ে যাচ্ছেন। জানা যায়, আদমদীঘি উপজেলার সাওইল হাটের তাঁতী পরিবারের লোকজন অভাব আর অনটনের মধ্যে জীবন-যাপন করছিল। তাঁত শিল্পের মাধ্যমে চাদর, কম্বল, গামছা, মশারি তৈরি করে আজ তারা অভাবকে হার মানিয়েছে। ঐত্যিহবাহী চাদর ও কম্বলের জন্য বিখ্যাত সাওইল হাট ইতিমধ্যেই পরিচিত লাভ করেছে। এই এলাকার তাঁত শিল্প অনেকেই স্বাবলম্বী করেছে। তাঁতী পল্লীর কারিগররা এখন শীতের গরম কাপড় তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সা্ওইল, মঙ্গলপুর, বিনাহালী, দেলুঞ্জ, ধামাইলসহ ১০ থেকে ১৫ গ্রামের প্রায় ৫ শত নারী-পুরুষ কারিগর এ পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন। সাওইলের চাদর কম্বল এখন ঢাকা চট্টগ্রাম রাজশাহী সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় রপ্তানি হচ্ছে। ব্যবসায়ী রুস্তম আলী জানান চাদর কম্বলের পাশাপাশি রং-বেরংয়ের শত শত সুতার দোকান গড়ে উঠেছে। হাটে সেড না থাকায় খোলা আকাশের নিচে বেচা-কেনা করতে হচ্ছে। কুয়াশা বা বৃষ্টি হলে বেচা-কেনা করতে বিপদে পড়তে হয় ক্রেতা-বিক্রেতাদের। বিখ্যাত এ হাটটিতে সরকারিভাবে সেড নির্মাণের জোর দাবি এলাকাবাসীর।
