আসন্ন ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মনোনয়ন পেতে বিভিন্ন দলের দেড় ডজন নেতার দলের উচ্চ পর্যায়ে লবিং-গ্রুপিং শুরু করেছেন।
জানা যায়, জাতীয় সংসদের ২৯, গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) নির্বাচনী আসনটি জাপা চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হোসেইন মুহাম্মদ এরশাদ প্রীতি হিসেবে বিবেচিত। জাতীয় পার্টির শাসনামল থেকে এ আসনে বার বার জাপা প্রার্থীই নির্বাচিত হয়ে আসার ২০০১ সালের নির্বাচনে ৪ দলীয় জোট (জামায়াত) মনোনীত প্রার্থী, মাওলানা আব্দুল আজিজ, জাপা প্রার্থী আলহাজ্ব ওয়াহেদুজ্জামান সরকার বাদশাকে হারিয়ে বিজয়ী হন। তবে এ নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি ভোট যুদ্ধ হয়। ফলে আসনটি জাপা’র শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত লাভ করে। তাই এ আসনে অন্যান্য দলের চেয়ে জাপা মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা অনেক বেশি। মনোনয়ন প্রত্যাশায় এ পর্যন্ত যাদের নাম শোনা যাচ্ছে, তারা হলেন— বর্তমান এমপি কর্ণেল (অবঃ) ডাঃ আঃ কাদের খান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি- আলহাজ্ব ওয়াহেদুজ্জামান সরকার বাদশা, ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা মহসিন সরদার, আঃ রশিদ সরকার ডাবলু, নওশের আলী, সোনা উল্ল্যাহ ও ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী।
এছাড়া আ’লীগ থেকে উপজেলা আ’লীগের সভাপতি- মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান- হাফিজা বেগম কাকলী, আ.ফ.ম. মতিয়ার রহমান ও জিল্লুর রহমান, বিএনপি’র থানা ১৮ দলের সমন্বয়ক ও হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান-মোজাহারুল ইসলাম, এ্যাড. জাহাঙ্গীর আলম জিন্নাহ, বিভিন্ন দলের দেড় ডজন প্রার্থী সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময়ও গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন। যদি জোটবদ্ধ নির্বাচন হয় তবে প্রধান দলগুলোর মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা হ্রাস পাবার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া বাসদ, ন্যাপসহ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আরও ৫ জনের নাম শোনা যাচ্ছে।
