কুমারখালি পৌর কাউন্সিলরের মৃতদেহ হবিগঞ্জে উদ্ধার

আপডেট : ১১ নভেম্বর ২০১৩, ২১:১৬
কুমারখালি পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোঃ জাকির হোসেন হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার একটি চা বাগানে খুন হয়েছেন। মাধবপুর থানা পুলিশ ১০ নভেম্বর সুরমা চা বাগানের ১ নম্বর সেকশন হতে জাকির হোসেনের লাশ উদ্ধার করে। লাশের পাশ থেকে একটি রক্ত মাখানো দা উদ্ধার হয়। ধারণা করা হচ্ছে আগের দিন রাতে ঘাতকরা খুন করে জাকিরের লাশ ফেলে রেখে যায়। এদিকে জাকিরের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৯ নভেম্বর সকালে ঢাকার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে রওনা দেয় জাকির। ঢাকায় পৌঁছানোর পর বেলা ২টার দিকে হবিগঞ্জ জেলার উদ্দেশে ঢাকা থেকে রওনা দেন তিনি। সর্বশেষ পরিবারের লোকজন ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সঙ্গে জাকিরের মোবাইল ফোনে কথা হয় ৯ নভেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে। জানা যায়, ২০১১ সালে কুমারখালি পৌরসভা নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকে জাকির চেষ্টা চালাচ্ছিলেন বিদেশ যাওয়ার জন্য। নগদ ১১ লাখ টাকা বিদেশ যাওয়ার জন্য দেয়ার পর থেকে সে অনেকটা বেকার জীবনযাপন করছিলেন। সব সময় বিদেশ যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে খুব চিন্তা করতেন। নিহত জাকির এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তানের জনক। এদিকে মাধবপুর (হবিগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, মাধবপুর সুরমা চা বাগান থেকে রবিবার পৌর কাউন্সিলরের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে মাধবপুরের তেলিয়াপাড়া ফাঁড়ি পুলিশ। সুরমা চা বাগানের সহকারী ব্যবস্থাপক মিন্টু রায়ের টেলিফোনে খবর পেয়ে তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির আইসি আব্দুল্লাহ-আল মামুন সুরমা চা বাগানের ১ নং সেকশন এলাকা থেকে জাকির হোসেনের মৃতদেহ উদ্ধার করে। কুমারখালি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নিপু খন্দকার টেলিফোনে জানান- জাকির হোসেন তার মামাতো ভাই। জাকির হোসেনের পিতা মৃত গোলাম মোহাম্মদ, সে কুমারখালি পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ছিল। মাধবপুর এলাকার কোন এক লোককে অষ্ট্রেলিয়া যাওয়ার জন্য টাকা দিয়েছিল। সহকারী পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক, মাধবপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অমল কুমার ধর, ওসি তদন্ত ইয়াছিনুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ।