দেশের বৃহত্তম জয়পুরহাট চিনিকলে ৩৭ কোটি টাকা মূল্যের ৭ হাজার ৪ শত মেট্রিক টন অবিক্রীত চিনি নিয়ে বিপাকে পড়েছে। অবিক্রীত বিশাল মজুদ চিনির বোঝা ঘাড়ে নিয়ে প্রায় ৭ হাজার মেট্রিক টন চিনি উত্পাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে আগামী ২৯ নভেম্বর মিলে উত্পাদন শুরু হবে। চিনি অবিক্রীত থাকায় আগামী আখ মাড়াই মৌসুমে গুদামে স্থান সংকুলান, আখের মূল্য ও শ্রমিক কর্মচারীদের বেতন ভাতা পরিশোধ করার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শীঘ্র চিনি বিক্রির উদ্যোগ না নিলে মহাসংকটে পড়বে এ চিনি কল।
জানা যায়, এ চিনি কলে ২০১১-১২ মৌসুমে চিনি উত্পাদিত হয় ২ হাজার ১শত ৩৭ মেট্রিক টন। ২০১২-১৩ মৌসুমে উত্পাদিত চিনি রয়েছে ৫ হাজার ২ শত ৫৬ মেট্রিক টন। ফলে চিনি কলের গুদামের ধারণক্ষমতা ১০ হাজার মেট্রিক টন। চলতি মৌসুমে উত্পাদিত চিনি গুদামে রাখার মত প্রয়োজনীয় জায়গার অভাব প্রকট আকার ধারণ করবে। শুধু স্থান সংকট নয় প্রায় ৩৭ কোটি টাকা মূল্যের প্রচুর চিনি বিক্রয় না হওয়ায় বেতন ভাতা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শ্রমিক কর্মচারীরা। পাশাপাশি চলতি মাড়াই মৌসুমে মিলে সরবরাহকৃত আখের মূল্য পরিশোধ নিয়ে আখ চাষিরাও হতাশায় পড়েছেন।
