মাঠে নামা নিয়ে আশংকা ছিল দুই ক্লাব থেকে টাকা নেয়া ফুটবলার জাহিদ, মামুন মিয়া, নাহিদুল এবং শাকিলের। কিন্তু তারা এ যাত্রায় বেঁচে গিয়ে মাঠে নামতে পারছেন। কারণ মোহামেডান এবং শেখ রাসেল তাদের নিয়ে বিরোধের পরিবর্তে সমঝোতার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দুই দলই বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, মোহামেডান পাবে জাহিদ এবং নাহিদুলকে। আর শেখ রাসেল পাবে মামুন মিয়া এবং শাকিলকে।
শেখ রাসেলের সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘ফেডারেশন যে নিয়ম করেছে তাতে খেলোয়াড়রা সাসপেন্ড হয়ে যায়। আমরা সেটা চাই না। ফুটবলারদের কথা বিবেচনা করে দুই ক্লাব সমঝোতা করেছি।’
মোহামেডান গতকাল রাতে চিঠি দিয়েছে বাফুফেকে। তারা এই ফুটবলারদের ব্যাপারে যে অভিযোগ করেছিল তা প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এ ব্যাপারে বাফুফের প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটির সভা আজ। সেখানে অভিযুক্ত ফুটবলারদের ব্যাপারে আলোচনা হবে। তার আগেই মোহামেডান চিঠি দিয়ে আটকে থাকা জটিলতা নিরসন করে ফেলেছে। ক্লাব কর্মকর্তারা বলছেন ফুটবলের এবং খেলোয়াড়দের স্বার্থে এটা করতে বাধ্য হয়েছেন।
মোহামেডান ১০ লাখ টাকা করে আগাম পারিশ্রমিক দিয়েছিল শেখ রাসেলের মামুন মিয়া, জাহিদ হোসেন, নাহিদুল ইসলাম এবং শেখ জামালের শাকিল আহমেদকে। কিন্তু তারা টাকা নিয়েও চলে যান শেখ রাসেলে। এই ইস্যুতে দুই ক্লাব যেভাবে পরস্পর বিরোধী অবস্থানে গিয়েও শেষ পর্যন্ত সমাধানে পৌঁছায়। তবে এরপরও কিছু সমস্যা রয়ে গেছে।
শেখ রাসেলের মিঠুন চৌধুরী আবাহনীর কাছ থেকে এক লাখ টাকা আগাম নিয়ে আবার ফিরে গেছেন দলে। মিঠুনের ব্যাপারে আবাহনী গতকালও বলেছে তারা দাবি ছাড়বে না। শুক্রবার আবাহনী খেলোয়াড় রেজিস্ট্রেশন করাবে। সেই তালিকায় মিঠুনের নাম অন্তর্ভুক্ত করবে। আর শেখ রাসেল বলেছে তারাও শুক্রবার নাম রেজিস্ট্রেশন করাবে। সেখানে মিঠুনের নাম রাখার ব্যপারে কোনো ঝামেলা দেখছেন না ক্লাব কর্মকর্তারা।
ঝামেলা আরেকটা রয়ে গেছে। মোহামেডানের শরিফুল ইসলাম ক্লাব থেকে আগাম টাকা নিয়েও তিনি আবাহনীতে চলে গেছেন। মোহামেডান এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানা গেছে। তবে আবাহনী জানিয়েছে শরিফুলের নামও জমা দেয়া হবে।
