অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে ৬০টি দুগ্ধ সমবায় সমিতি দুধ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়ায় মিল্ক ভিটার ভাঙ্গুড়া কারখানায় অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার ৭৭টি দুগ্ধ সমবায় সমিতি এখানে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার লিটার দুধ দিত। বর্তমানে মাত্র দেড় হাজার লিটার দুধ পাওয়া যাচ্ছে। সমপ্রতি সোনালী ব্যাংকের ভাঙ্গুড়া শাখায় বেশ কিছু সমিতির দুধ বিক্রির কমিশন জমার একাউন্ট থেকে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে কয়েক লাখ টাকা আত্মসাতের কারণে মিল্ক ভিটার স্থানীয় ম্যানেজমেন্টের প্রতি সমিতিগুলো আস্থা হারায়। একারণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থাপক ডাঃ ফরহাদুল আলমকে প্রত্যাহার করে নেয়। জানা গেছে, প্রতিটি সমিতির সভাপতি ও কারখানার ম্যানেজার যৌথ স্বাক্ষরে ঐ ব্যাংক হিসাব পরিচালনা করেন। কলকতি সমিতির সভাপতি আব্দুল জাব্বার জানান, নির্দিষ্ট চেক বই তাদের কাছে থাকা সত্ত্বেও অবৈধভাবে নতুন চেক সংগ্রহ করে এবং তাদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ব্যাংক হতে কয়েক লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক আনসারুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নতুন রেজ্যুলেশন দ্বারা নাম পরিবর্তন করে টাকা তুলে নেয়া হয়েছে। ঐ চেকে কারখানার ব্যবস্থাপকের স্বাক্ষরও রয়েছে।
