নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের পোষ্টার, ফেষ্টুন ও বিল বোর্ড চৌমুহনী শহরসহ বেগমগঞ্জের সর্বত্র ছেয়ে গেছে। বিএনপির দূর্গখ্যাত এই আসনে ১৯৭৩ সালের পর থেকে আওয়ামী লীগ জয়ী হতে পারেনি। এবার আসনটি দখলে মরিয়া হয়ে উঠছে আওয়ামী লীগ। কোন্দল মিটিয়ে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে তাঁরা একাট্টা হচ্ছে। অন্যদিকে বিএনপির তিন দফায় ২০৪ ঘন্টার হরতালে বিএনপির বুলু গ্রুপ ও ডা: দোলন গ্রুপ ভিন্ন ভিন্নভাবে মিছিল সমাবেশ করায় তাঁদের বিভক্তি এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
এবারে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে বেগমগঞ্জ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, চৌমুহনী পৌরসভার মেয়র মামুনুর রশীদ কিরন, নোয়াখালী আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এটি এম এনায়েত উল্যা, লুত্ফুন্নাহার মুন্নী গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। অন্যদিকে ২০০৮ সনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সেনা প্রধান ম উ আহমদের অনুজ মিনহাজ আহমদ জাবেদকে নিয়ে আওয়ামী লীগের অনেক নেতা-কর্মী মাঠে নেমেছেন।
বর্তমান সংসদ সদস্য ও বিএনপি‘র যুগ্ম মহাসচিব বরকত উল্যা বুলু নেতা-কর্মী ও সমর্থকদেরকে নিয়ে শো-ডাউন করে শক্তিমত্তার জানান অব্যাহত রেখেছেন। অপরদিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মাযহারুল ইসলাম দোলন বেগমগঞ্জ আসন থেকে মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে কর্মীদেরকে আশ্বস্ত করে চলেছেন। তাছাড়া সাবেক এমপি এম এ হাসেম এবং বিএনপি’র কেন্দ্রীয় পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক মেজর (অবঃ) ডা, রেজাউল করীমও মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টায় আছেন। জাতীয় পার্টি (এরশাদ) থেকে এসএ টিভি ও এসএ পরিবহনের চেয়ারম্যান সালেহ আহম্মদ জাতীয় পার্টির প্রার্থী হতে পারেন। এসব মিলিয়ে নির্বাচনের অনিশ্চয়তা সত্বেও বাড়তে শুরু করেছে নির্বাচনী আমেজ।
