কালকিনিতে টেঁটা যুদ্ধ পুলিশসহ আহত ২০

আপডেট : ১৬ নভেম্বর ২০১৩, ২১:৩৭
মাদারীপুরের কালকিনিতে শুক্রবার আলীনগর ইউনিয়নের কালীগঞ্জ বাজারের একটি দোকানঘর উত্তোলনকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের টেঁটা যুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। বাজারের একটি দোকান ঘরের ভিটিতে ঘর উত্তোলনকে কেন্দ্র করে আলীনগর ইউনিয়নের টুমচর গ্রামের ইলিয়াস হাওলাদার ও ফজলুল হক মাষ্টারের সাথে একই গ্রামের এনামুল হক চৌকিদার ও কালাম চৌকিদারের সাথে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। শুক্রবার উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে আলীনগর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মনির হোসেন বেপারী ও ঝাউদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন আপোস মীমাংসার চেষ্টা চালিয়ে সময় নির্ধারণ করতে দু’পক্ষের কয়েকজনকে নিয়ে বসেন। এ সুযোগে ফজলুল হক মাষ্টারের লোকজন এনামুল হক ও কালাম চৌকিদারের বাড়িঘর ভাংচুর করে। পরে উভয়পক্ষ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এতে এএসআই রিপন, কনষ্টেবল মঞ্জুর হোসেন এবং রেজাউল চৌকিদার ও সিরাজ ঢালী, এনামুল হক ও কালাম চৌকিদারসহ উভয়পক্ষের ২০ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে দু’পক্ষের ১২ জনকে পুলিশ আটক করেছে। আলীনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনির হোসেন বেপারী বলেন, ঝাউদি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবুল হোসেনকে নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়েছিলাম। তারা দু’পক্ষ হঠাত্ সংর্ঘষে জড়িয়ে পড়ে। কালকিনি থানার ওসি (তদন্ত) মো: নজরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পুলিশ বাদি হয়ে মামলা দয়ের করেছে। মুন্সীগঞ্জে সংঘর্ষে ইউপি সদস্যসহ আহত ২০ মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি \ মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার দোরাবর্তী গ্রামে শুক্রবার জমি নিয়ে সংঘর্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। আহত সহিদ সর্দার, কবির সর্দারকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, মান্নান সর্দার ও নান্নু সর্দারকে পঙ্গু হাসপাতাল এবং ইউপি সদস্য ডালিম সর্দার বারেক সর্দারকে টঙ্গীবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ ইয়াছিন নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে। আউটশাহী ইউপি সদস্য ডালিম সর্দারদের সাথে একই গ্রামের আক্তার ঢালীদের জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। শুক্রবার ডালিম সর্দারগংরা আবাদ করতে গেলে প্রতিপক্ষের আক্তার ঢালী, আনোয়ার সর্দার, সোরহাব সর্দার ও শাহজাহানের নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের ভারাটিয়া সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এতে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়। এ ঘটনায় ডালিম সর্দার বাদি হয়ে টঙ্গীবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেছে। বেগমগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপে সংষর্ঘ চৌমুহনী (নোয়াখালী) সংবাদদাতা \ শুক্রবার বিএনপির বুলু গ্রুপ ও ডা. দোলন গ্রুপের মধ্যে দুই দফায় সংঘর্ষে ৬ জন আহত হয়। বুলু গ্রুপের লোকজন দোলন গ্রুপের মাইক্রোবাস ও কয়েকটি মোটর সাইকেল ভাংচুর করে। তাছাড়া ডেলটা গেইটের সামনে কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ও নোয়াখালী-৩ বেগমগঞ্জ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী অধ্যাপক ডা. মাযহারুল ইসলাম দোলন কিছু সংখ্যক নেতা-কর্মী নিয়ে বেগমগঞ্জের গাবুয়াতে কর্মীসভায় যোগদানের উদ্দেশ্যে মাইক্রোবাসযোগে যাওয়ার সময় চৌমুহনী-মাইজদী সড়কের কাজীনগর রাস্তার মোড়ে বরকতউল্যা বুলুর সমর্থিতরা অতর্কিতভাবে দোলনের গাড়ির ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় দোলন গ্রুপের সমর্থিতরাও পাল্টা আক্রমণ করে। বেগমগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।