কুমিল্লার লাকসামে জমি সংক্রান্ত বিরোধে গত শুক্রবার রাতে ভাতিজার ছুরিকাঘাতে দাদা-নাতি খুন ও উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছে। নিহতরা হলেন হাজী মাস্টার আবদুর রহিম (৭০) ও নাতি মোশারফ হোসেন সাগর (১৪)। সে ৬ষ্ঠ শ্রেণির মাদ্রাসা ছাত্র। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে।
জানা যায়, পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে লাকসাম দৌলতপাড়া গ্রামের মৃত দুদু মিয়ার বড় ছেলে আমীর হোসেন চৌধুরীর সাথে অপর দু’ভাই শাহ আলম ও ইমাম হোসেনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। দিনব্যাপী সালিশের সিদ্ধান্ত মতে জায়গা পরিমাপ শেষে হঠাত্ বড় ভাই আমীর হোসেন ও মেঝভাই শাহ আলমের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে দুইজন নিহত ও ১০ জন আহত হয়। আহতদের লাকসাম ও কুমিল্লার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত মাস্টার হাজী আব্দুর রহিমের জামাতা মো. শহীদুল্লাহ বাদী হয়ে লাকসাম থানায় চারজনসহ অজ্ঞাত ১২ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। লাকসাম থানার এসআই মো. রুবেল আফ্রাদ জানান, এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ২ জনকে গ্রেপ্তার ও ১ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।
উজিরপুরে বড় ভাই খুন
বানারীপাড়া (বরিশাল) সংবাদদাতা \ বরিশালের উজিরপুরে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় জমি বিরোধে ছোট ভাই হাবিবুর ও তার শশুর বাড়ির লোকজন মিলে বড় ভাই জয়নাল মৃধা (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, বড় ভাই জয়নাল মৃধার সাথে ছোট ভাইয়ের বউয়ের কথা কাটাকাটি হয়। এ ঘটনার জেরে ছোট ভাই হাবিবুর ও তার শ্যালক লস্করপুর গ্রামের সফর আলী তালুকদারের ছেলে নান্না, সেলিম, কাওছার, মালিকান্দা গ্রামের আবুল হাওলাদারের ছেলে রনি হাওলাদার, হাবিবের স্ত্রী রাশিদা বেগম, জাকির হাওলাদার, হাবিবুর রহমান ও মনির মৃধা মিলে নারিকোলি গ্রামে জয়নাল মৃধাকে একা পেয়ে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে জখম করেন। এলাকাবাসী উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিত্সক তাকে মৃত্যু বলে জানায়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী আকলিমা বেগম বাদি হয়ে আটজনের নাম উল্লেখসহ আরো অজ্ঞাত পরিচয় ৪/৫ জনের নামে উজিরপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
