ঠাকুরগাঁওয়ে ১৫ প্রাথমিক শিক্ষকের নিয়োগ অবৈধ

আপডেট : ১৮ নভেম্বর ২০১৩, ২০:৩৯
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে প্রজ্ঞাপন ও নিয়োগ বিধি লঙ্ঘন করে নিয়োগ দেয়া ১৫ শিক্ষকের নিয়োগ অবৈধ বলে উল্লেখ করেছে তদন্ত কমিটি। তদন্ত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ২০০৯ সালের ১০ জুন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় রেজি. বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থানীয়ভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ শূন্যপদে সরকারিভাবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। বালিয়াডাঙ্গির শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুস সালাম ২০১০ সালে পূর্ববর্তী কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর জাল করে পত্রিকায় ভুয়া বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ব্যাকডেটে ১২টি বিদ্যালয়ে ১৫ জন শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে তাদের বিল-ভাতাও চালু করান। তদন্ত কমিটির সদস্য ঠাকুরগাঁও পিটিআই’র সুপারিনটেন্ডেন্ট নির্মল চন্দ্র বর্মন জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তিসহ ৪৫ জনের জবানবন্দি এবং নিয়োগ সংক্রান্ত ডকুমেন্টস্সহ ৬শ’৪০ পৃষ্ঠার প্রমাণাদি সংযুক্ত করা হয়। অনিয়ম করে দেয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পত্রিকা জব্দ করা হয়। তদন্তে ১২ স্কুলের ১৫ জন শিক্ষককে দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ দেয়ার প্রমান পাওয়া গেছে। অবৈধ নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা হলো- উত্তর বালিয়াডাঙ্গী তুলসিপাড়া রেজি. প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হাসনা বানু ও মিনা বেগম, কিশমত পলাশবাড়ীতে সুরাইয়া পারভীন, উদয়পুরে শ্রীমতি অনিকা রানী, গড়িয়ালীতে মোছা. সোহাগী পারভীন, কলন্দায় আব্দুস সবুর ও জান্নাতুল ফেরদৌস, দুওসুও গাণ্ডিকারীতে রুবিনা আকতার, দিশারীতে নাসিমা আকতার, হাড়িপুকুরে বিলকিস বানু, ছোট সিঙ্গিয়ায় কামরুন নাহার, তারাঞ্জুবাড়ীতে আকলিকা খাতুন, বড়কোটে রোজী আকতার এবং লোহাগাড়ায় বন্দনা রানী ও কোহিনূর বেগম। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট সম্পর্কে তত্কালিন শিক্ষা কর্মকর্তা বর্তমানে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে কর্মরত আব্দুস সালামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। অপরদিকে, ইতোপূর্বে বিভাগীয় মামলাসহ এ সকল অবৈধ নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সহকারী জজ আদালতে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের হয়।