কুমিল্লা নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল চরমে পৌঁছেছে। ফলে হতাশ হয়ে পড়েছে সাধারণ নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা। কোন্দল নিরসন করা না হলে আসন্ন সংসদ নির্বাচনে বিএনপির হারানো এ আসনটি পুনরুদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়বে।
গত সংসদ নির্বাচনে এ আসনে চারদলীয় জোট থেকে সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল গফুর ভ্ুঁইয়ার পরিবর্তে মনোনয়ন দেয়া হয় উপজেলা বিএনপির নেতা মোবাশ্বের আলম ভুঁইয়াকে। এনিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। নাঙ্গলকোটের হাজার হাজার নেতা-কর্মী ঢাকায় গিয়ে দলীয় নেত্রীর নিকট এর প্রতিবাদ জানালে মনোনয়ন পরিবর্তন করে দেয়া হয় আবদুল গফুর ভুঁইয়াকে। কিন্তু দলীয় মনোনয়ন নিয়ে রির্টানিং অফিসারের নিকট জমা দেয়ার আগে সময় শেষ হয়ে যায়। ফলে মোবাশ্বের আলম ভুঁইয়ার মনোনয়ন চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসাবে রির্টানিং অফিসারের নিকট বৈধতা পায়। বিষয়টি নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত গড়িয়ে বৈধতা আনা সম্ভব হয়নি। এনিয়ে আবদুল গফুর ভুঁইয়া ও মোবাশ্বের আলম ভুঁইয়ার মধ্যে সৃষ্টি হয় বিরোধ। বিরোধকে কেন্দ্র করে দ্বিধা-বিভক্ত হয়ে পড়ে নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপি। নির্বাচনে মেবাশ্বের আলম পরাজিত হয়। এর পর থেকে কোন্দল আরো প্রকট আকার ধারণ করে।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নুরুল্লা মজুমদার বলেন, মোবাশ্বের আলম ভুঁইয়া দলের কমিটিগুলো তার নিয়ন্ত্রণে নিলেও দলীয় জনসমর্থনে আবদুল গফুর ভুঁইয়ার পাল্লা অনেক ভারি বিধায় মোবাশ্বের আলমের পক্ষ ত্যাগ করে গফুর ভুঁইয়ার পক্ষে কাজ করছি।
