বরগুনার নবগঠিত তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) বিরুদ্ধে গত রবিবার লটারি ছাড়াই কাজ পাইয়ে দেয়ার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন স্থানীয় ঠিকাদাররা। ক্ষুুব্ধ ঠিকাদারদের ধাওয়া খেয়ে পিআইও দপ্তর ছেড়ে তাত্ক্ষণিকভাবে গা ঢাকা দেন। পরবর্তীতে ওই দরপত্র লটারি স্থগিত করা হয়।
রবিবার দুপুরে আমতলী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ঠিকাদাররা অভিযোগ করেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে গ্রামীণ রাস্তায় ছোট ছোট সেতু / কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার আমলকিতলা ও কেওড়া খালের উপর ৪৪ লাখ টাকা ব্যয়ে দুটি সেতু নির্মাণের দরপত্রে তারা অংশ নেন। দরপত্রে অংশগ্রহণকারী ৬০ জন ঠিকাদারের উপস্থিতিতে লটারির জন্য সময় নির্ধারিত ছিল রবিবার।ঠিকাদারদের অভিযোগ, এটম এন্টারপ্রাইজ ও নূরজাহান এন্টারপ্রাইজ নামের দুটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তোফাজ্জেল হোসেন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম লটারি না করে তাদের অনুপস্থিতে কাজ ভাগ করে দেন।
ঠিকাদার মোজাম্মেল গাজী, শাহজাদা আকনসহ অন্যরা জানান, নির্ধারিত সময়ে তারা লটারির জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে উপস্থিত হলে পিআইও তাদের জানান যে লটারি সম্পন্ন হয়ে গেছে। এ সময়ে উত্তেজিত ঠিকাদাররা পিআইও জাহাঙ্গীর আলমকে ধাওয়া দিলে তিনি দৌড়ে দপ্তর ছেড়ে গা ঢাকা দেন। পরে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জানান, ঝামেলার কারণে দরপত্র (লটারি) স্থগিত করা হয়েছে।
