এখন থেকে ট্রাভেল এজেন্সি আইন ভেঙ্গে পরিচালনা করলে ছয় মাসের জেল ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা গুণতে হবে। এই বিধান রেখে প্রতিষ্ঠান সোমবার রাতে জাতীয় সংসদে ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) বিল-২০১৩’ পাস হয়েছে।
বিদেশে যেতে ইচ্ছুক জনগণকে প্রতারণার হাত থেকে রক্ষার লক্ষ্যে আনা এই বিলটি পাসের মাধ্যমে ১৯৭৭ সালের এ-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ রহিত করা হয়েছে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হলে মাগরিবের নামাজের বিরতির পর সংসদে বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান।
প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, কেউ এই আইনের কোন বিধান লঙ্ঘন করলে অনধিক ছয় মাসের জেল এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। আগের আইনে অর্থদণ্ড ছিল দুই হাজার টাকা। নতুন আইন কার্যকর হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে অধ্যাদেশের অধীনে নিবন্ধিত ট্রাভেল এজেন্সিগুলোকে নতুন করে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে হবে। আর এই আবেদন করা বাধ্যতামূলক।
বিলে আরো বলা হয়েছে, মিথ্যা তথ্য দিয়ে বা প্রতারণার মাধ্যমে কোন প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন নিলে সেই নিবন্ধন সনদ বাতিল করা হবে। নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোন প্রতিষ্ঠান তাদের ঠিকানা পরিবর্তন করতে পারবে না। নিবন্ধন সনদ সম্পূর্ণ হস্তান্তর অযোগ্য হবে। এদিকে একমাত্র স্বতন্ত্র সদস্য মোহাম্মদ ফজলুল আজিম বিলটির উপর জনমত যাচাই ও ছাটাই প্রস্তাব জমা দেন।
