১৩ নভেম্বর কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ-এর ৬৫তম জন্মদিনে হিমু পরিবহনের আয়োজন হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিনের উত্সব। হিমু পরিবহন মূলত ফেজবুক ভিত্তিক সংগঠন। হুমায়ূন আহমেদের ভক্তদের দল এটি। এই হিমু পরিবহন হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতি ছড়িয়ে দেবে সবার মাঝে। ১২ নভেম্বর হিমু পরিবহনের ৫০ জন হিমু-রূপা যায় নূহাশপল্লী। সঙ্গে ছিলেন মেহের আফরোজ শাওন। মোমের আলোয় আলোকিত হয় নূহাশপল্লী। লেখকের সমাধিতে ফুল দেয় হিমু পরিবহন। নূহাশপল্লীর রাতের আকাশে উড়ানো হয় ফানুস। জন্মদিনের প্রথম প্রহরে কেক কাটে তারা। সব কিছুর সুযোগ করে দিয়েছে মেহের আফরোজ শাওন। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে একযোগে জন্মদিনে কেক কাটে হিমু পরিবহন। বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় কাটা হয় জন্মদিনের কেক। ১৫ নভেম্বর শুক্রবার হিমু পরিবহন যায় নেত্রকোনায়। হুমায়ূন আহমেদের জন্মস্থানে। সারা দেশ থেকে আসা ১২০ জন হুমায়ূন ভক্ত যাত্রী হয় হিমু পরিবহনের। এছাড়া হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিনে স্মরণিকা প্রকাশ করেছে হিমু পরিবহন। হিমু পরিবহনের হিমু রূপার চাওয়ার ছিল অনেক কিছুই। হুমায়ূন আহমেদের নিজ হাতে গড়া শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ স্কুল সরকারিকরণ করার দাবি জানান তারা। রাষ্ট্রীয় ভাবে হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন, মৃত্যুদিন পালন, জাতীয় স্থাপনার নাম হুমায়ূন আহমেদের নামে করা, শহরের একটি প্রধান সড়কের নাম হুমায়ূন আহমেদের নামে করার দাবি করে হিমু পরিবহন।
