কীটনাশক ওষুধ প্রয়োগ ছাড়াই ক্ষতিকর পোকামাকড়ের আক্রমন থেকে রক্ষা করে উন্নতমানের কলা উত্পাদনে পলিব্যাগের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে পাহাড়ে। রামগড় পার্বত্য অঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের কৃষি বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভাবনীয় সুফল পাচ্ছেন কলা চাষিরা। রামগড় পাহাড় অঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. জুলফিকার আলি ফিরোজ জানান,বিটল পোকা নামে এক ধরনের ক্ষতিকর পোকা কলার কঁচি পাতা এবং কঁচি কলার সবুজ অংশে হাটাহাটি করে এবং রস চুষে খেয়ে ফেলে। এতে কলার গায়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দাগের সৃষ্টি হয়। এ কারণে কলা হ্রষ্টপুষ্ট হয় না। থেকে ফল রক্ষা করতে কোন প্রকার কীটনাশক ওষুধ প্রয়োগ না করে মোচ থেকে কলা বের হওয়ার আগেই কাঁদির চেয়ে বড় আকারের দ’ুমুখ খোলা বিশিষ্ট স্বচ্ছ ছিদ্রযুক্ত পলিথিন ব্যাগের এক মুখ দিয়ে মোচাকে আবৃত করে কাঁদির সাথে বেঁধে দিতে হয়। পলিব্যাগের নীচের অংশ খোলা রাখতে হয়। কাঁদি সম্পূর্ণ বের হওয়ার এক মাস পর ইচ্ছে করলে পলিব্যাগ খুলে ফেলা যায়। এ পলিব্যাগ ব্যবহারের ফলে ক্ষতিকর বিটল পোকা কলার মোচা বা কাঁদিতে গিয়ে আক্রমন করতে পারে না।
এদিকে টিস্যু কালচারের চারা রোপন করে বারি কলা চাষাবাদের পাশাপাশি পলিথিন ব্যাগ ব্যবহারও পার্বত্য এলাকায় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
