উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সকদের অবহেলায় সাংবাদিক পত্নীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার জুলফিকার সিদ্দিকী তার কিছু সংখ্যক পোষ্য দালাল ও স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতার ক্যাডারদের দিয়ে সাংবাদিকদের ২ ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন। জানা গেছে, নয়াদিগন্ত জলঢাকা প্রতিনিধি শেফাউল আলম তার সন্তানসম্ভবা স্ত্রী আলেমা বেগমকে গত মঙ্গলবার ভোরে জলঢাকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালে কোন চিকিত্সক না থাকায় প্রসূতির স্বজনরা নিরূপায় হয়ে কর্তব্যরত আয়ার সাহায্যে বাচ্চা প্রসব করান। কিন্তু অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় প্রসূতির শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। এক পর্যায়ে প্রসূতির মৃত্যু ঘটে। ঘটনাটি জানাজানি হলে নীলফামারী সদর ও স্থানীয় সাংবাদিক, পৌর মেয়র ইলিয়াস হোসেন বাবলু, উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান গোলাম পাশা এলিচ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে কোন ডাক্তার দেখতে না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সকাল সোয়া ১০টায় আবাসিক চিকিত্সক জুলফিকার সিদ্দিকী হাসপাতালে আসলে মৃতের স্বজন ও ক্ষুব্ধ জনতার তোপের মুখে পড়েন। এসময় ওই চিকিত্সক তার দলবল ও এক রাজনৈতিক নেতার ক্যাডারবাহিনী দিয়ে সাংবাদিকদের হাসপাতাল চত্বরে প্রায় ২ ঘন্টা অবরুদ্ধ করে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এদিকে লাঞ্চিত ও অবরুদ্ধ করার প্রতিবাদে স্থানীয় সাংবাদিকরা অভিযুক্ত ডাক্তারের শাস্তির দাবিতে ৩ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
