বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় বৈধ ডিপোতে অবৈধ কাঠ মজুদের অভিযোগ উঠেছে। এটি তৈন রেঞ্জের আওতাধীন ১১১নং কাঠের ডিপো। তৈন রেঞ্জ কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, কর্মস্থলে নতুন। জোতের বাইরে কাঠ ডিপোতে রাখার অনুমতি নেই। এ বিষয়ে অনুসন্ধান করে আইনগত পদক্ষেপ নেবো। উপজেলার বটতলী পাড়ার ওসমান আলীকদম-থানচি সড়কে ১৭ কিলোমিটার এলাকায় স্থানীয় মুরুংয়ের ভোগদখলীয় জায়গা থেকে ২৫টি গোদা গাছ ক্রয় করেন। সম্প্রতি ওসমান গাছ কেটে মজুদ করেন। যার পরিমাণ আনুমানিক ৪৫০ ঘনফুট। তবে ওই গাছের মালিকানা নিয়ে ওসমান ও ছনোয়ারা বেগমের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। বিষয়টি বর্তমানে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের আদালতে বিচারাধীন আছে। কিন্তু তার আগে ছনোয়ারা বেগম নিজ মালিকানাধীন তৈন রেঞ্জের ১১১ নং কাঠের ডিপোতে বিরোধীয় কাঠ মজুদ করে। ইউপি চেয়ারম্যান জামালউদ্দিন বলেন, বাদী-বিবাদী কোন পক্ষ থেকে বৈধ কাগজপত্র না পাওয়ায় অভিযোগটি এখনো বিচারাধীন আছে। আদিবাসীরা জানান, গত ১৮ আগস্ট আদু মুরুং কার্বারীসহ ১৫ আদিবাসী ছনোয়ারা বেগমের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জোত পারমিটের অজুহাতে আলীকদম-থানচি সড়কে গাছ কাটার অভিযোগ আনেন। ৮ সেপ্টেম্বর ইউএনও কার্যালয় থেকে একটি তদন্ত হয়। লামা বন বিভাগীয় কর্মকর্তা মুহাম্মদ সাঈদ বলেন, এ বিষয়ে দপ্তরে অভিযোগ এসেছে।
