টাঙ্গাইলের মির্জাপুর ধেরুয়া রেল ক্রসিংয়ে ট্রেন চলাচলের জন্য প্রতিদিন প্রায় পাঁচ ঘন্টা বন্ধ থাকে ঢাকা- টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও বঙ্গবন্ধু একসেস রোড। এই রোডে যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় যানজট এখন প্রকট আকার ধারণ করেছে। এই রেল ক্রসিংয়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। মঙ্গলবার ধেরুয়া রেল ক্রসিংয়ে দেখা যায় ট্রেন আসার সময় ক্রসিংয়ে দু’পাশে যানজট লেগে আছে। আধঘন্টা পর পর রেল ক্রসিংয়ে বেড়ি ফেলায় যানজট সৃষ্টি হচ্ছে বলে রেলওয়ের কর্মচারী এবং যানবাহনের যাত্রী ও শ্রমিকরা জানিয়েছেন।
রাজধানী ঢাকার সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের ১৭টি জেলার যানবাহন প্রতিনিয়ত চলাচল করে। এছাড়া রেলপথে যোগাযোগ সহজ করার জন্য সেতু থেকে টাঙ্গাইল হয়ে জয়দেবপুর পর্যন্ত রেল লাইন স্থাপন করা হয়। ২০০৪ সালের ১৪ এপ্রিল ট্রেন চলাচল শুরু হয়। রেল লাইনে দু’টি স্থানে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও বঙ্গবন্ধু একসেস রোড অতিক্রম করেছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের মধ্যে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে মির্জাপুর উপজেলার ধেরুয়ায় উড়ালসেতু নির্মাণ করা হয়নি। এই লাইন দিয়ে ট্রেন যাতায়াত করার সময় ধেরুয়ায় ক্রসিং বন্ধ করে দেয়া হয়। এ সময় মহাসড়কের দু’পাশে যানজট সৃষ্টি হয় এবং যাত্রীদের দুর্ভোগের শিকার হতে হয়।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ জানায়, টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুর ও বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে দিনে-রাতে মিলে ১৫/২০ হাজার যানবাহন যাতায়াত করে থাকে। এছাড়া প্রতি মিনিটে চলে ২০/২৫টি গাড়ি।
ধেরুয়ায় নিয়োজিত রেলওয়ের গেটম্যানরা জানান, এই গেট নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে তাদের দারুণভাবে হিমশিম খেতে হচ্ছে। রেলওয়ের রাজশাহী-পাকশী জোনের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ রফিকুল আলম বলেন:ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর ধেরুয়ায় রেলক্রসিংয়ের উপর ফ্লাইওভার নির্মাণ করতে যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন সে পরিমাণ অর্থ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের নেই।
