দ্বিতীয় ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপজেলার কালাছড়া, শিয়ালছড়া, লাঘাটাছড়া ও লাউয়াছড়ায় উপ-প্রকল্পের মাধ্যমে স্লুইসগেট নির্মিত হচ্ছে। জাইকার অর্থায়ন ও এলজিইডির তত্ত্বাবধানে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে অপরিকল্পিতভাবে স্লুইসগেট নির্মাণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের কালাছড়া উপ-প্রকল্পের অধীনে জাইকার অর্থায়নে ১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি রেগুলেটর ও দ’ুটি স্লুইসগেট, শিয়ালছড়া উপ-প্রকল্পে ৮৩ লাখ ৫ হাজার, লাউয়াছড়া উপ-প্রকল্পে সিএন্ডএম শেড ৪ লাখ ৩ হাজার, লাঘাটাছড়া উপ-প্রকল্পে ৯৪ লাখ ২৯ হাজার টাকা ব্যয়ে স্লুইসগেট নির্মিত হচ্ছে। অপরিকল্পিতভাবে স্লুইসগেট নির্মাণের পরিকল্পনা এবং বিভিন্ন কার্যক্রমের ফলে লাঘাটাছড়ায় সতিঝির গ্রাম এলাকায় গত তিন বছরে প্রায় একশ’ একর জমিতে বোরো চাষাবাদ সম্ভব হয়নি বলে কৃষকরা অভিযোগ তুলেছেন। অপরিকল্পিতভাবে এসব প্রকল্পসমূহে নিম্নমানের রড, পাথর, ঢালাই মসলাতে সিমেন্টের পরিমাণ কম দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া প্রকল্পের কাজে শীল বালু ব্যবহার করার কথা থাকলেও তা ব্যবহার করা হয়নি। নিম্নমানের কাজের ফলে ট্রাকচারগুলোর ভবিষ্যত্ নিয়ে সন্দিহান এলাকাবাসী। কাজে অনিয়ম বিষয়ে কালাছড়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি ও উপকারভোগী সদস্যদের পক্ষ থেকে এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলী মো: নূর নবী বলেন, দু’টি গ্রুপের মধ্যে সমস্যার সৃষ্টি হওয়ায় অনিয়মের অভিযোগ হয়েছে। তিনি বলেন, এ কাজে কোন ধরনের অনিয়ম করার সুযোগ নেই, কারণ এটি জাপানী সংস্থার কাজ।
