রাজশাহী চিনিকল এলাকায় গুড় তৈরিতে ঝুঁকছেন কৃষক

আপডেট : ২২ নভেম্বর ২০১৩, ২১:৫৩
রাজনৈতিক অস্থিরতাসহ বিভিন্ন কারণে রাজশাহী চিনিকলে মাড়াই বিলম্বিত হওয়ায় আখচাষিরা আখ বিক্রি করে গুড় তৈরি শুরু করছেন। ফলে এবার আখ সংকটে পড়তে পারে চিনিকল। জানা গেছে, এ বছর মিল জোন এলাকায় ২০ হাজার ২০৭ একর জমিতে আখের চাষ করেছেন। আখের উত্পাদন লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৮৪ হাজার মে. টন। আর এবারের চিনির অনুপাত হচ্ছে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ। মিলগেটে চাষিরা প্রতিমণ (৪০ কেজি) আখের দাম পাবেন ১শ’ টাকা এবং মিলগেটের বাইরের চাষিরা পাবেন ৯৬ টাকা। হরিয়ানের জায়গীর গ্রামের আখচাষি আবু জারদা জানান, প্রশাসনের দুর্বলতা, অদক্ষতা ও উদাসীনতার কারণে এখন পর্যন্ত মিলে আখমাড়াই শুরু হয়নি। তিনি আরো জানান, অনেকে ক্ষেত থেকে আখ বিক্রি করে দিচ্ছে। এতে করে একদিকে যেমন চাষীরা নগদ টাকা পাচ্ছে এবং অন্যদিকে মিলের হয়রানি থেকে রেহাই পাচ্ছে। চিনিকলের হিসাব বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, মিলজোন এলাকায় প্রায় ৬৬৫টি গুড় তৈরির কারখানা আছে। তারা প্রশাসনের নাকের ডাগায় সেগুলো চালু রেখেছে। জেলার পুঠিয়া ও চারঘাট উপজেলা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে দেদারসে গুড় তৈরি হচ্ছে। চিনিকলের জিএম (প্রশাসন) পিয়ারুজ্জামান জানান, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে মাড়াইয়ের দিনক্ষণ নির্ধারণ হয়নি। তবে শিগগিরই এই মিল চিনি উত্পাদনে যাবে। গতকাল কর্তৃপক্ষ মিলটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেছেন বলে জানা গেছে।