পবায় বিএনপির দু’গ্রুপে সংঘর্ষ

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০১৩, ২০:৫৯
পবা নওহাটা বাজারে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। শুক্রবার একতরফা নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের প্রতিবাদে ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশে জেলা বিএনপির দুই গ্রুপের এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শুক্রবার বিএনপির উদ্যোগে নওহাটা পৌর বাজারে সমাবেশ আয়োজন করা হয়। বিকেল ৫টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে নওহাটা ব্রিজঘাট মোড়ে সমাবেশ করে। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য আজিজুর রহমান, প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তপুসহ জেলা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য শেষে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মাইনুল হাসান পান্নার সভাপতিত্বে বক্তব্য শেষ করলে নওহাটা পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক সমাবেশ শেষ করেন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।পবা উপজেলার নওহাটা পৌর এলাকায় স্থানীয় বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় ২৮ নেতা-কর্মীকে আসামি করে মামলা হয়েছে। স্থানীয় বিএনপি কর্মী রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে পবা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। শনিবার পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকবর হোসেন এ তথ্য জানান। ওসি আরো জানান, নওহাটা পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ওয়াদুদ হাসান পিন্টু গ্রুপের সমর্থক রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। বাকিরা অজ্ঞাতনামা। তবে এরা সকলে পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম গ্রুপের সমর্থক। এদিকে, মামলায় জড়িত সন্দেহে দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। টেকনাফে বিএনপির দু’কর্মীর সংঘর্ষ টেকনাফ (কক্সবাজার) সংবাদদাতা জানান, টেকনাফে পৌর বিএনপির দুই কর্মীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দুই রাউন্ড গুলিবর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় এক মহিলাসহ দু’জন আহত হয়েছে। ২৩ নভেম্বর শনিবার টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়া এলাকায় পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি নূরুল ইসলাম মেম্বার ও পৌর বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ আলমের গ্রুপের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। টেকনাফ বাস টার্মিনাল এলাকায় নূরুল ইসলাম মেম্বারের ছেলে গুরাপুটু ও শাহ আলমের ভাইর সাথে কথা কাটাকাটি হয়। দু’পক্ষের মধ্যে তা সংঘর্ষের রূপ নেয়। সংঘর্ষের একপর্যায়ে শাহ আলম গ্রুপ লাটি-সোটা নিয়ে বাড়িতে হামলা চালালে নূরুল ইসলাম অস্ত্র দিয়ে দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে। এসময় গুলির শব্দ পেয়ে হামলাকারী পিছু হটে। এ ঘটনায় রহিমা(৪৫), কেফায়েতউল্লাহ(১৪), নুর কামাল(৩৪) ও মোঃ তৈয়ুব আহত। তবে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সুজানগরে হামলায় ৬ বিএনপি কর্মী আহত সুজনগর (পাবনা) সংবাদদাতা জানান, পাবনা সুজানগরে প্রতিপক্ষের হামলায় বিএনপির ৬ নেতা-কর্মী আহত হয়েছে। এ সময় হামলাকারীরা ৪টি মোটর সাইকেল ভাংচুর করেছে। বিএনপির চেয়ারপার্সনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের মুক্তির দাবিতে শনিবার সুজানগর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করা হয়। উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজম আলী বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক হাজারী জাকির হোসেন চুন্নু এবং পাবনা জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও পাবনা-২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুল হালিম সাজ্জাদ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন লাঠি-সোটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালিয়ে ৬ বিএনপি নেতা-কর্মীকে মারপিট দিয়ে আহত করা ছাড়াও তাদের ৪টি মোটর সাইকেল ভাংচুর করে। আহতরা হলো: দুলাই ইউপি বিএনপি নেতা আব্দুল কাদের, আব্দুস ছালাম, আব্দুল মান্নান, কর্মী আজাদ হোসেন, মাসুদ রানা ও টুটুল হোসেন। তাদেরকে প্রাথমিক চিকিত্সা দেয়া হয়েছে।