১৪৬ বছরেও জাতীয়করণ হয়নি কুড়িগ্রাম জেলার ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন বিদ্যাপীঠ উলিপুর মহারানী স্বর্ণময়ী স্কুল এন্ড কলেজ। ফলাফল ও শিক্ষায় উত্তরাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এ বিদ্যাপীঠটি ইতোমধ্যেই স্থান করে নিয়েছে। প্রায় দেড় শতাধিক বছর পূর্বে ১৮৬৮ সালে এ প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু। কাশিমবাজারের জমিদার মহারাজ কৃষ চন্দ্রের বিধবা পত্নী মহীয়সী মহারানী স্বর্ণময়ী বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করে তাঁর বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিদ্যালয়টির নামে দান করেন। প্রায় দেড়শ’ বছর আগে মহারানী স্বর্ণময়ী উচ্চ বিদ্যালয় নামে যাত্রা শুরু করে ১৯৯৭ সালে এতে কারিগরি ও ১৯৯৯ সালে মহাবিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু করে। ধর্মান্ধতার যুগেও এখানে নারীরা শিক্ষার সুযোগ পেতো। প্রতিষ্ঠানটিতে কবি শেখর কালিদাস রায়সহ দেশের বহু গুণী পণ্ডিত, শিক্ষাবিদ ও কবি-সাহিত্যিকরা প্রতিষ্ঠান প্রধানের দায়িত্ব পালন করে গেছেন। বিদ্যালয়টি কলেজ শাখায় উন্নীত হওয়ার পর ২০০১ সালে অধ্যক্ষ হিসাবে যোগদান করে বর্তমানে কর্মরত আছেন আব্দুল কাদের। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে একাধিক বহুতল ভবন। প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন ফিডার স্কুল হিসাবে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় দুই সহস্রাধিক শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। প্রায় একশ’জন শিক্ষক-কর্মচারী এখানে কর্মরত আছেন। উচ্চ মাধ্যমিক, কারিগরি ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তর তিনটি আলাদা অবকাঠামো নিয়ে শিক্ষাদানের মহান ব্রত নিয়ে এগিয়ে চলেছে। অধ্যক্ষ আব্দুল কাদের ইত্তেফাককে বলেন, প্রতিষ্ঠানটি সুপ্রাচীন,অনেক আগেই জাতীয়করণ করা উচিত ছিল।
