দুই কার্যদিবস ধরে শেয়ারবাজারের সূচক কমার পর গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূচক বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। গতকাল ডিএসই’র লেনদেনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অবদান ছিল বস্ত্রখাতের। এ খাতে মোট লেনদেন হয়েছে ১৫২ কোটি টাকা। যা বাজারের মোট লেনদেনের প্রায় ২১ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল জ্বালানি খাত। এ খাতে লেনদেন হয়েছে ১২০ কোটি টাকা। এছাড়া ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে লেনদেন হয়েছে ১০৬ কোটি টাকা। আইডিএলসি’র দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণ থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, দুইদিন বাজার সংশোধনের পর ফের সূচক বাড়তে শুরু করেছে। ডিএসই সূচকের গতি এখন ৪ হাজার চারশ’ পয়েন্টের দিকে। ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের ক্রয়ের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এদিকে বস্ত্রখাতের কয়েকটি কোম্পানি ঘিরে লেনদেন বাড়ায় এ খাতেরও লেনদেন বেড়ে গেছে। তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের দিনের তুলনায় ৩০ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৩৫৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৫৩৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৭৫০ কোটি ৬১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৯১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৮৭টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬৯টির, কমেছে ৯৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৩টি কোম্পানির শেয়ারের।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের আফতাব অটোমোবাইলসের পরিচালনা পর্ষদ ৩১ আগস্ট ২০১৩ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ৮ শতাংশ নগদ এবং ১২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ অনুমোদনের জন্য বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৩ ডিসেম্বর, সকাল সাড়ে ৯টায়, বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টার-২, বারিধারা, ঢাকাতে অনুষ্ঠিত হবে। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৫ ডিসেম্বর। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ট্যানারি খাতের বাটা সু বিনিয়োগকারীদের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন ১৯৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৩ অর্থবছর সমাপ্ত হলেও ১ জানুয়ারি ২০১৩ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৩ সময়ে কোম্পানিটির পারফরম্যান্স বিবেচনা করে এ অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির ঘোষিত অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৫ ডিসেম্বর।
