ঝিনাইদহে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিকে গলাকাটা চার্জ আদায়!

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০১৩, ২১:৩২
ঝিনাইদহে ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে প্রাইভেট হাসপাতাল, আর প্যাথলজিক্যাল ল্যাব। হাতেগোনা দু’চারটি হাসপাতাল ও প্যাথলজিক্যাল ল্যাব ছাড়া বাকিগুলোর মান নিয়ে অভিযোগের অন্ত নেই। সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিত্সা সেবার বেহাল দশার সুযোগে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিকে গলাকাটা চার্জ আদায় করা হচ্ছে। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, শৈলকুপা উপজেলাতে প্রাইভেট হাসপাতাল ও প্যাথলজিক্যাল ল্যাব আছে ১৭টি, ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় আছে ৪৩টি, কালীগঞ্জ উপজেলায় আছে ২৪টি, মহেশপুর উপজেলায় আছে ২৮টি, কোটচাঁদপুর উপজেলায় আছে ১৬টি এবং হরিণাকুন্ডু উপজেলায় আছে ১২টি। সরকারি আইন অনুয়ায়ী প্রাইভেট হাসপাতালে একজন সার্বক্ষণিক ডাক্তার, ৩ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নার্স, এ্যাম্বুলেন্স ও উন্নতমানের ওটি থাকার কথা। হাতেগোনা ২-৪টি ছাড়া অন্য হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে সার্বক্ষণিক ডাক্তার নেই। লাইসেন্স বাগানোর জন্য একজন ডাক্তারের নাম ব্যবহার করেন হাসপাতাল বা ক্লিনিক মালিক। নিজস্ব এ্যাম্বুলেন্স নেই প্রায় সবগুলো হাসপাতাল বা ক্লিনিকের। আধুনিক সরঞ্জামে সজ্জিত ওটি আছে ঝিনাইদহ শহরের মাত্র কয়েকটি প্রাইভেট হাসপাতালে। মাঝে-মধ্যেই অপচিকিত্সায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগ উঠে। অভিযোগ শোনা যায়, ম্যানেজার বা মালিক ডাক্তার সেজে অপারেশন করেন। রোগীর আত্মীয়-স্বজন বা পড়শিরা উত্তেজিত হয়ে হাসপাতালে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন ডাঃ নাসরিন সুলতানা জানান, তিনি অসহায়। হাসপাতাল বা ক্লিনিক বন্ধ করার পর স্থানীয় প্রভাবশালীরা চাপ সৃষ্টি করে।