কুড়িগ্রামের রৌমারীর কর্তিমারী বাজারে রাতের অন্ধকারে ক্যাডারবাহিনী দিয়ে একটি স্কুলের মার্কেট দখল করে নিয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা। এ ঘটনায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে রোববার সংশ্লিষ্ট স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সাধারণ মানুষ মানববন্ধন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে স্মারকলিপি প্রদান করেন। জানা যায়, প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকল্পে ২০০৬ সালে যাদুরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের নিজস্ব জায়গায় প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে পাকা মার্কেট নির্মাণ করা হয়। নির্মাণ কাজ শেষ হলে স্থানীয় আ’লীগ নেতাদের সহযোগিতায় ২০১১ সালে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা দবিরউদ্দিন মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মার্কেটটি বরাদ্দ দেয়ার পাঁয়তারাও চালান। কিন্তু বাধ সাধেন নির্মাণ ব্যয় বহনকারী লোকজন। তারা স্থানীয় এমপি, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একাধিক অভিযোগ দায়ের করলে পরে বিষয়টি মামলায় রূপ নেয়। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়, ৩৮ শতাংশ জমিতে মার্কেট নির্মাণ করার পর দেখা যায় ২৬ শতাংশ জমি স্কুলের নামে রেকর্ড হয়েছে এবং ভুলবশত অবশিষ্ট ১২ শতাংশ জমি খাস খতিয়ানে গেছে। পরে ভুল সংশোধনের জন্য সংশ্লিষ্ট আদালতে মামলা হলে বিজ্ঞ আদালত স্কুলের পক্ষে রায় দেন। পরবর্তীতে উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হলে ২০০৯ সালে তাও বাতিল হয়। এদিকে গত ১৬ নভেম্বর রাতের অন্ধকারে ঘরগুলোতে টিনের ঝাঁপ লাগিয়ে অবৈধভাবে দখল করে নেন আওয়ামী লীগ নেতা শাখাওয়াত্ হোসেন সবুজ। পরদিন দোকান মালিকরা তাদের দোকানে গেলে উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সম্পাদক সবুজ, যুবলীগ সভাপতি হাসানুজ্জামান স্বপন, ছাত্রলীগ সভাপতি নাজমুল হুদা বকুলসহ ২০/২৫ জনের একটি দল দোকান মালিকদের ওপর চড়াও হয়।
