উলিপুরে নদী ভাঙ্গন রোধে মানববন্ধন

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০১৩, ২১:৪৬
কুড়িগ্রামের উলিপুর ও রাজারহাট উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের ১০টি গ্রামের বিস্তীর্ণ জনপদ, ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা তিস্তার ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জরুরি মেরামতের নামে লুটপাট করলেও ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ভাঙ্গন রোধে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণে এলাকার মানুষ গত রবিবার নদীতীরে মানববন্ধন করেন। জানা যায়, প্রায় ৩ মাসের ব্যবধানে তিস্তা নদীর ভাঙ্গনে উলিপুর উপজেলার দলদলিয়া, থেতরাই ও রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ, নাজিমখান ইউনিয়নের ১০ গ্রামের সহস্রাধিক ঘরবাড়ি, ফসলী জমি, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বেশ কিছু ছোট-বড় স্থাপনা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। তিস্তার ভাঙ্গনের শিকার বজরা, গুনাইগাছ, খামার দামারহাট, কর্পুরা, ঠুটাপাইকর, তৈয়বখা ও ডাংরারহাট এলাকা। হুমকির মুখে রয়েছে, বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র, ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ৫টি মসজিদ। ভাঙ্গন রোধে এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট বিভাগে যোগাযোগ করেও কোন ফল না পাওয়ায় নদী তীরে মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিষ্ক্রিয়তায় স্থানীয় লোকজন নিজেদের উদ্যোগে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে বাঁশ ও বালুর বস্তা দিয়ে সাময়িক ভাঙ্গন প্রতিরোধের চেষ্টা চালাচ্ছে। কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু তাহের জানান, ভাঙ্গন রোধে ২০ কোটি টাকার ৪টি প্রকল্প প্রস্তাবনা সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হয়েছে।