বাণী ও সুর প্রধান বাংলা গানের যে ধারা; সেই ধারা পাওয়া যাবে সহজিয়া’র গানে। গানের দল সহজিয়া’র যাত্রা শুরু হয় আজ থেকে আট বছর আগে। আধুনিক গণসংগীতের ধারার একটা মিশ্র রূপ পাওয়া যাবে তাদের গানের প্রথম অ্যালবাম ‘রঙমিস্ত্রী’তে। সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই অ্যালবামের প্রকাশনা উত্সব অনুষ্ঠিত হয়। অ্যালবামটির মোড়ক উন্মোচন করেন কবি-সঙ্গীতশিল্পী কফিল আহমেদ। এ সময় গানের দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
চার পর্বে সাজানো প্রকাশনা উত্সবে অ্যালবামের গানগুলোর সঙ্গে নিজেদের নতুন-পুরনো গান পরিবেশন করে সহজিয়া। সহজিয়াকে গানে গানে শুভেচ্ছা জানান সঙ্গীত শিল্পী কফিল আহমেদ ও গানের দল ‘চিত্কার’। এছাড়া সহজিয়ার গান আর রঙমিস্ত্রী অ্যালবাম নিয়ে কথা বলেন সহজিয়া’র কয়েকজন বন্ধু। তাদের মধ্যে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শান্তুনু মজুমদার, নাট্যজন শঙ্কর সাঁওজাল, আহমেদ মুনীরুদ্দিন তপু, শিরোনামহীন ব্যান্ড লিডার জিয়াউর রহমান জিয়া, জলের গানের শিল্পী কনক আদিত্য প্রমুখ।
রঙমিস্ত্রী অ্যালবামটি সাজানো হয়েছে ১০টি গান দিয়ে। গানগুলো হলো- যত চোখ যায় ঢেউ ঢেউ, ঘুম ঘুম দিন যায়, ভুলে যাও শবনম, চোখে চোখে পড়লেই হাওয়া, বোকা পাখি, সারাদিন খেলা, স্বপ্নের আকাশ, ব্যাথা দিও না। গানের সবগুলো কথা লিখেছেন ও সুর করেছেন রাজীব আহমেদ রাজু। অনেক দিন ধরেই গান করলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি শেষে রাজু পুরোপুরি গানে মনোনিবেশ করেন। ক’জন তরুণ শিল্পীকে সঙ্গে নিয়ে গড়ে তোলেন গানের দল সহজিয়া। রঙমিস্ত্রী অ্যালবামের শিল্পীরা হলেন লিরিক ও ভোকালে রাজু, গিটারে আলভী, সৌম, সজীব, বেস গিটারে জাফরী, ড্রামসে রাব্বি। সাউন্ড মিক্স ও মাস্টার করেছেন তাপস। আর রঙমিস্ত্রীর সেশন প্রোডিউসার ছিলেন লালন ব্যান্ডের থিন হান মং তিতি। সহজিয়া তাদের রঙমিস্ত্রী অ্যালবামটি স্বতন্ত্রধারার বাংলা গানের মৌলিক স্বর কফিল আহমেদকে উত্সর্গ করেছে।
